বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের অংশগ্রহণে চার দিনব্যাপী আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচি শেষ হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচিটির সমাপ্তি হয়।
১৩ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের ২৫ জন এবং সদর দপ্তর ১১ পদাতিক ডিভিশনের নয়জন সেনাসদস্য এতে অংশগ্রহণ করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসনাত আহমেদ। অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রতিনিধি দলসহ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, কর্মসূচিতে বিভিন্ন যুদ্ধাভিযানে আর্মার-ক্যাভালরির যুদ্ধকৌশল কীভাবে বাস্তবায়ন করা হয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা বিভিন্ন সামরিক অভিযানে অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বাংলাদেশি সেনাসদস্যদের সঙ্গে তুলে ধরেন।
চার দিনের এ আয়োজনের মাধ্যমে দুই দেশের সেনাসদস্যদের মধ্যে আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে যুদ্ধকৌশল বাস্তবায়ন, প্রশিক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা কর্মসূচিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
এ ধরনের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের সামরিক সদস্যদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও পেশাগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি আর্মার-ক্যাভালরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির মাধ্যমে উভয় পক্ষের সক্ষমতা সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের পাশাপাশি আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুল ও ১১ পদাতিক ডিভিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



























