চা শিল্প উন্নয়ন নিয়ে নতুন আশার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের অন্যতম রপ্তানিমুখী এই শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আর্থিক সহযোগিতা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে দেশের বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থায়নের সংকট, জ্বালানির দাম এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার মতো নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য একাধিক প্রস্তাবও উপস্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। তাই এ খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেবে। শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতাও নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি।
সভায় চা বাগান মালিকদের বিদ্যমান ঋণ সহজীকরণ এবং স্বল্প সুদে নতুন ঋণের সুযোগ তৈরির বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি শিল্পের আর্থিক চাপও অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া যেসব চা বাগানের কিছু অংশ চাষের জন্য অনুপযোগী, সেখানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের অনুমতির বিষয়টিও ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানান তিনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে শিল্পের ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের ঘোষিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের চা শিল্প উন্নয়ন আরও গতি পাবে। একই সঙ্গে উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চায়ের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।


























