ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের আহ্বান Logo ৪৪ রাষ্ট্রীয় শিল্প ইজারা নয়, প্রতিরোধের ডাক জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল Logo ছোট আঁচড়, বড় বিপদ! পোষা প্রাণীর কামড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি Logo রাকসু ভিপি সাংবাদিকদের সতর্কবার্তা দিলেন Logo চট্টগ্রাম ওয়াসা: সিস্টেম লসে ৭৮ কোটি টাকার পানি Logo আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সঞ্চয়পত্র, বাড়ছে বিনিয়োগকারীর আগ্রহ Logo কুমিল্লা মাদক ধ্বংস: বিজিবির বড় অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার সোনার বার উদ্ধার Logo সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত Logo ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নিবাস কারাগারে, রিমান্ড শুনানি রবিবার

কেন ভিটামিন ডি-কে ‘সানশাইন ভিটামিন’ বলা হয়?

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৮

ভিটামিন ডি শরীরের হাড়, দাঁত ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভিটামিন ডি শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান। এটি সূর্যের আলো থেকে স্বাভাবিকভাবে তৈরি হয় বলেই একে ‘সানশাইন ভিটামিন’ বলা হয়। হাড় ও দাঁত মজবুত রাখা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো, পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অথচ অনেক মানুষই অজান্তে এর ঘাটতিতে ভুগছেন।

নবজাতকের জন্য ভিটামিন ডি বিশেষভাবে প্রয়োজন। জন্মের পর শিশুর হাড় দ্রুত গঠিত হয় এবং এ সময় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস ঠিকভাবে শোষণের জন্য ভিটামিন ডি অপরিহার্য। শুধু মায়ের দুধে সবসময় পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকে না। তাই অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নবজাতককে ভিটামিন ডি ড্রপ দেওয়া হয়, যা রিকেটসসহ হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস সূর্যের আলো। এছাড়া চর্বিযুক্ত সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর কলিজা, ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ দুধ ও কিছু ফোর্টিফায়েড খাবার থেকেও এটি পাওয়া যায়। তবে যারা দীর্ঘ সময় ঘরের ভেতরে থাকেন, খুব কম রোদে যান বা অপুষ্টিতে ভোগেন, তাদের শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস, প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালেশিয়া (হাড় নরম হয়ে যাওয়া) এবং অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) হতে পারে। এছাড়া পেশি দুর্বল হওয়া, হাড়ে ব্যথা, ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া, ক্লান্তি এবং সহজে হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। দীর্ঘদিন ঘাটতি থাকলে দৈনন্দিন জীবনেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন কিছু সময় নিরাপদভাবে সূর্যের আলোতে থাকা, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ডি পরীক্ষা ও সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঠিক নয়। অতিরিক্ত গ্রহণে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে কিডনিতে পাথর, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও কিডনির ক্ষতির মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের আহ্বান

কেন ভিটামিন ডি-কে ‘সানশাইন ভিটামিন’ বলা হয়?

Update Time : ১১:০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ভিটামিন ডি শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান। এটি সূর্যের আলো থেকে স্বাভাবিকভাবে তৈরি হয় বলেই একে ‘সানশাইন ভিটামিন’ বলা হয়। হাড় ও দাঁত মজবুত রাখা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো, পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অথচ অনেক মানুষই অজান্তে এর ঘাটতিতে ভুগছেন।

নবজাতকের জন্য ভিটামিন ডি বিশেষভাবে প্রয়োজন। জন্মের পর শিশুর হাড় দ্রুত গঠিত হয় এবং এ সময় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস ঠিকভাবে শোষণের জন্য ভিটামিন ডি অপরিহার্য। শুধু মায়ের দুধে সবসময় পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকে না। তাই অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নবজাতককে ভিটামিন ডি ড্রপ দেওয়া হয়, যা রিকেটসসহ হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন  হাসছেন ঠিকই, কিন্তু ভিতরে চাপ? চিনে নিন সাইলেন্ট স্ট্রেস

ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস সূর্যের আলো। এছাড়া চর্বিযুক্ত সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর কলিজা, ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ দুধ ও কিছু ফোর্টিফায়েড খাবার থেকেও এটি পাওয়া যায়। তবে যারা দীর্ঘ সময় ঘরের ভেতরে থাকেন, খুব কম রোদে যান বা অপুষ্টিতে ভোগেন, তাদের শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস, প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালেশিয়া (হাড় নরম হয়ে যাওয়া) এবং অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) হতে পারে। এছাড়া পেশি দুর্বল হওয়া, হাড়ে ব্যথা, ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া, ক্লান্তি এবং সহজে হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। দীর্ঘদিন ঘাটতি থাকলে দৈনন্দিন জীবনেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে সদর উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের দাবি

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন কিছু সময় নিরাপদভাবে সূর্যের আলোতে থাকা, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ডি পরীক্ষা ও সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঠিক নয়। অতিরিক্ত গ্রহণে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে কিডনিতে পাথর, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও কিডনির ক্ষতির মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন  ভূগর্ভস্থ পানিতে নতুন হুমকি, ম্যাঙ্গানিজে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ