ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিল

নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের প্রস্তুতি

সরকার জানিয়েছে, ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (Essential Medicines List) প্রণয়নের আগে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের সুপারিশ বা মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি তৈরির সময় এই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

এ কারণে তালিকাটির আইনগত ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় মন্ত্রিসভা এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হলো এমন একটি সরকারি তালিকা, যেখানে জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই তালিকার উদ্দেশ্য হলো—

  1. সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
  2. ওষুধের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে সহায়তা করা।
  3. সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
  4. মানসম্মত ও নিরাপদ ওষুধ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া তালিকা প্রকাশ করায় এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

সরকার জানিয়েছে, আইনের বিধান অনুসরণ করে নতুনভাবে—

  1. জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নেওয়া হবে।
  2. প্রয়োজন হলে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা হবে।
  3. ওষুধের মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতিও আইন অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

গত ২৯ জুন সরকার জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছে। একই সঙ্গে পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)-কে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।

এতে ওষুধনীতি, মূল্য নির্ধারণ এবং জনস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৩০ বছর পরও দর্শকের হৃদয়ে অমলিন সালমান শাহ

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিল

Update Time : ১০:২৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সরকার জানিয়েছে, ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (Essential Medicines List) প্রণয়নের আগে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের সুপারিশ বা মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি তৈরির সময় এই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

এ কারণে তালিকাটির আইনগত ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় মন্ত্রিসভা এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন  অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী, পরীক্ষা দিতে পারলেন না দুই ছাত্রী

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হলো এমন একটি সরকারি তালিকা, যেখানে জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই তালিকার উদ্দেশ্য হলো—

  1. সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
  2. ওষুধের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে সহায়তা করা।
  3. সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
  4. মানসম্মত ও নিরাপদ ওষুধ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া তালিকা প্রকাশ করায় এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

আরও পড়ুন  সৌরবিদ্যুৎচালিত হিমাগার পাচ্ছে প্রতিটি ইউনিয়ন, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

সরকার জানিয়েছে, আইনের বিধান অনুসরণ করে নতুনভাবে—

  1. জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নেওয়া হবে।
  2. প্রয়োজন হলে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা হবে।
  3. ওষুধের মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতিও আইন অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

গত ২৯ জুন সরকার জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছে। একই সঙ্গে পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)-কে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।

আরও পড়ুন  খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইরান

এতে ওষুধনীতি, মূল্য নির্ধারণ এবং জনস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।