নতুন ভ্যাট কমিশনারেট গঠন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে এই প্রশাসনিক পুনর্গঠন করা হয়েছে। এনবিআরের মতে, কর জাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সেবার মান উন্নত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনবিআর জানায়, নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) সংশ্লিষ্ট নতুন কমিশনারেটের অধীনে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিআইএন নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা পরিবর্তিত হবে। তবে প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, মালিকানা বা অন্যান্য নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে।
এছাড়া আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পুরোনো বিআইএন ব্যবহার করা যাবে। এরপর পুরোনো বিআইএন কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড (ASYCUDA World) সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ফলে ১ ডিসেম্বর থেকে আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট সব কাস্টমস কার্যক্রমে শুধুমাত্র নতুন বিআইএন ব্যবহার করতে হবে।
এনবিআরের ভাষ্য, নতুন ভ্যাট কমিশনারেট গঠনের মাধ্যমে পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও গতিশীল করা হবে। একই সঙ্গে করদাতাদের জন্য সহজ ও ব্যবসাবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন বিআইএন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এনবিআর। এতে ভবিষ্যতে আমদানি-রপ্তানি বা ভ্যাটসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে না।



























