বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও ইতিবাচক ও স্থিতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই ভারত সফর করতে পারেন। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আগেই দ্বিপক্ষীয় এই সফর হতে পারে। তবে সফরের চূড়ান্ত তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি।
ভারতের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ব্রিকস সম্মেলনে তিনি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন কাটিয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সফরটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে।
এর আগে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং তাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। ভারতীয় পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়েও দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে। বাণিজ্য, ভিসা, যোগাযোগ, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
সম্ভাব্য সফরে গঙ্গা চুক্তি, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন, বাণিজ্যিক বাধা, সীমান্ত ও মানুষের যাতায়াত সহজ করা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় আসতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তবে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ ও আলোচ্যসূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। ফলে ‘সেপ্টেম্বরে ভারত যাচ্ছেন’ বিষয়টি বর্তমানে সম্ভাব্য সফর হিসেবে বিবেচনা করাই যথাযথ।



























