শাড়ি নিয়ে করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এদিন তানজিন তিশা সশরীরে হাজির হন। এর আগে গত ১২ জুলাই তাকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
জামিন পাওয়ার পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। এ সময় মামলাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তানজিন তিশার দাবি, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পেছনে উদ্দেশ্য রয়েছে এবং তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযোগকারী একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তার সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিশা। এ ঘটনায় তার কাছে বিভিন্ন তথ্য ও বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিশা বলেন, সময়মতো এসব বিষয় প্রকাশ্যে আনবেন। তবে কী ধরনের তথ্য বা প্রমাণ রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
অভিনেত্রীর দাবি, প্রায় ২৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি শাড়িকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে যে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিনোদন অঙ্গনে কাজ করার পর এমন অভিযোগে আদালতে দাঁড়াতে হওয়াটা তার জন্য অপমানজনক। একই সঙ্গে একজন নারী হয়ে আরেকজন নারীকে হয়রানি করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মামলাটি গত বছরের নভেম্বরে করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার পর সেটির মূল্য পরিশোধ ও প্রচারের প্রতিশ্রুতি পালন করেননি তানজিন তিশা। পরে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করা হয়।
তবে তানজিন তিশা শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। ফলে এর মূল্য পরিশোধের প্রশ্ন ওঠে না বলে তার বক্তব্য।
মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী চলবে।



























