নোয়াখালীর সেনবাগে সড়ক দুর্ঘটনায় মোশাররফ হোসেন মজুমদার (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কানকিরহাট যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
মোশাররফ হোসেন কেশারপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি কেশারপাড় গ্রামের বাসিন্দা এবং সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ মজুমদারের চাচাতো ভাই। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হক সুমনও রয়েছেন।
জানা গেছে, সন্ধ্যায় একটি অটোরিকশায় করে চেয়ারম্যান আবদুল হক সুমন ও মোশাররফ হোসেন কানকিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মাইক্রোবাস অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিন আরোহী গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোশাররফ হোসেনের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নুর নবী জানান, সংঘর্ষের শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া অবস্থায় দেখতে পান। ভেতরে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত ছিলেন। পরে স্থানীয়রা তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে অনেক যানবাহন অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করে। এ কারণে দুর্ঘটনা কমাতে গতি নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সেনবাগ থানার ওসি আব্দুর রহিম সরকার জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
























