ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আমি কমিশনারের ভাগনে’—বলেই মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গুলি যুবকের

ভাঙ্গায় মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার অভিযোগ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গুলি ছোড়ার সময় ওই যুবক নিজেকে ‘কমিশনারের ভাগনে’ বলে পরিচয় দেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার হাইওয়ে থানার বিপরীতে মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি মেরুন রঙের প্রাইভেটকারে এক যুবতীকে সঙ্গে নিয়ে ওই যুবক ঢাকার দিক থেকে ভাঙ্গায় আসেন। পরে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার বিপরীতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওপর গাড়িটি থামিয়ে রাখেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় এক যুবক মহাসড়কের ওপর গাড়ি না রেখে সড়কের পাশে রাখার জন্য তাকে অনুরোধ করেন। গাড়ি সরানোকে কেন্দ্র করে ওই যুবকের সঙ্গে স্থানীয় ওই ব্যক্তির বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ওই যুবক গাড়ির ভেতর থেকেই গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই গুলিবর্ষণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে মেরুন রঙের একটি প্রাইভেটকারের চালকের আসনে থাকা এক যুবককে উত্তেজিত অবস্থায় দেখা যায়।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, গাড়িতে থাকা এক যুবতী ওই যুবককে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। তবে একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

একপর্যায়ে ওই যুবক অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে করতে গাড়ির জানালা দিয়ে মাথা ও হাত বের করেন। এরপর তিনি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে ভিডিওতে দেখা যায়। গুলি ছোড়ার পরও তাকে উত্তেজিত অবস্থায় থাকতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় যুবক নিজেকে ‘কমিশনারের ভাগনে’ হিসেবে পরিচয় দেন। তবে তিনি কোন কমিশনারের আত্মীয়—এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তার পরিচয়ও এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. হাসান আমিন জানান, ওই যুবক একটি প্রাইভেটকারে এক যুবতীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার দিক থেকে এসে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার বিপরীতে মহাসড়কের ওপর গাড়ি থামান।

তিনি বলেন, এ সময় স্থানীয় এক যুবক গাড়িটি মহাসড়কের ওপর না রেখে সড়কের পাশে রাখার অনুরোধ করেন। গাড়ি সরানোকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

হাসান আমিনের বর্ণনা অনুযায়ী, বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে ওই যুবক গাড়ির ভেতর থেকে গুলি ছোড়েন। পরে তিনি গাড়ি চালিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ধরে গোপালগঞ্জের দিকে চলে যান।

ঘটনার সময় মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষ ও আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তবে গুলিতে কেউ আহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর গুলিবর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি পুলিশের কাছেও পৌঁছেছে। তবে ভিডিওটি সত্যিই ভাঙ্গার ওই এলাকার ঘটনার কি না, সেটি যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভিডিওতে গাড়ির চালকের আসনে থাকা যুবকের আচরণ এবং কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার দৃশ্য দেখা গেলেও ভিডিওর মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

পুলিশের পক্ষ থেকেও ভিডিওর স্থান, সময় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। ভিডিওটি ভাঙ্গার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হলে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান দিপু বলেন, গুলিবর্ষণের ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। প্রথমে ভিডিওটি ভাঙ্গা এলাকার কি না, তা শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ঘটনাটি ভাঙ্গায় ঘটে থাকলে দ্রুত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

অন্যদিকে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভিডিওটি ভাঙ্গার কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে সেখানে গিয়ে পুলিশ ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য জানতে পারেনি।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, এ ধরনের একটি ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। ঘটনার সময় থানার আশপাশে কোনো টহল দল ছিল না।

তিনি বলেন, পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে সেখানে গুলিবর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

ফলে ভিডিওটি যাচাই এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। তার সঙ্গে থাকা যুবতীর পরিচয়ও জানা যায়নি। ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি নিয়ে তিনি গোপালগঞ্জের দিকে চলে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

পুলিশ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থলের তথ্য যাচাই করছে। ভিডিওটি ভাঙ্গার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে নিশ্চিত হলে গাড়ির নম্বরসহ অন্যান্য তথ্যের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

প্রকাশ্য মহাসড়কে এভাবে গুলি ছোড়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কে এ ধরনের ঘটনা সাধারণ পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সত্যিই গুলি ছুড়েছেন কি না এবং তিনি নিজেকে ‘কমিশনারের ভাগনে’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি কমিশনারের ভাগনে’—বলেই মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গুলি যুবকের

Update Time : ০৯:৪৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গুলি ছোড়ার সময় ওই যুবক নিজেকে ‘কমিশনারের ভাগনে’ বলে পরিচয় দেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার হাইওয়ে থানার বিপরীতে মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি মেরুন রঙের প্রাইভেটকারে এক যুবতীকে সঙ্গে নিয়ে ওই যুবক ঢাকার দিক থেকে ভাঙ্গায় আসেন। পরে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার বিপরীতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওপর গাড়িটি থামিয়ে রাখেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় এক যুবক মহাসড়কের ওপর গাড়ি না রেখে সড়কের পাশে রাখার জন্য তাকে অনুরোধ করেন। গাড়ি সরানোকে কেন্দ্র করে ওই যুবকের সঙ্গে স্থানীয় ওই ব্যক্তির বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ওই যুবক গাড়ির ভেতর থেকেই গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই গুলিবর্ষণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে মেরুন রঙের একটি প্রাইভেটকারের চালকের আসনে থাকা এক যুবককে উত্তেজিত অবস্থায় দেখা যায়।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, গাড়িতে থাকা এক যুবতী ওই যুবককে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। তবে একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন  টেকনাফে রাতে এলাকা ঘিরে ডাকাতের ফাঁকা গুলি, আতঙ্কে মানুষ

একপর্যায়ে ওই যুবক অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে করতে গাড়ির জানালা দিয়ে মাথা ও হাত বের করেন। এরপর তিনি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে ভিডিওতে দেখা যায়। গুলি ছোড়ার পরও তাকে উত্তেজিত অবস্থায় থাকতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় যুবক নিজেকে ‘কমিশনারের ভাগনে’ হিসেবে পরিচয় দেন। তবে তিনি কোন কমিশনারের আত্মীয়—এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তার পরিচয়ও এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. হাসান আমিন জানান, ওই যুবক একটি প্রাইভেটকারে এক যুবতীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার দিক থেকে এসে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার বিপরীতে মহাসড়কের ওপর গাড়ি থামান।

তিনি বলেন, এ সময় স্থানীয় এক যুবক গাড়িটি মহাসড়কের ওপর না রেখে সড়কের পাশে রাখার অনুরোধ করেন। গাড়ি সরানোকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

হাসান আমিনের বর্ণনা অনুযায়ী, বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে ওই যুবক গাড়ির ভেতর থেকে গুলি ছোড়েন। পরে তিনি গাড়ি চালিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ধরে গোপালগঞ্জের দিকে চলে যান।

ঘটনার সময় মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষ ও আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তবে গুলিতে কেউ আহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  মাইক্রোবাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল বিএনপি নেতার, আহত ২

ঘটনার পর গুলিবর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি পুলিশের কাছেও পৌঁছেছে। তবে ভিডিওটি সত্যিই ভাঙ্গার ওই এলাকার ঘটনার কি না, সেটি যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভিডিওতে গাড়ির চালকের আসনে থাকা যুবকের আচরণ এবং কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার দৃশ্য দেখা গেলেও ভিডিওর মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

পুলিশের পক্ষ থেকেও ভিডিওর স্থান, সময় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। ভিডিওটি ভাঙ্গার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হলে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভাঙ্গা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান দিপু বলেন, গুলিবর্ষণের ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। প্রথমে ভিডিওটি ভাঙ্গা এলাকার কি না, তা শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ঘটনাটি ভাঙ্গায় ঘটে থাকলে দ্রুত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

অন্যদিকে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভিডিওটি ভাঙ্গার কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে সেখানে গিয়ে পুলিশ ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য জানতে পারেনি।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, এ ধরনের একটি ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। ঘটনার সময় থানার আশপাশে কোনো টহল দল ছিল না।

আরও পড়ুন  ৩ শর্তে ইসতি মেডিকেলের এমডি ফয়সালের জামিন

তিনি বলেন, পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে সেখানে গুলিবর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

ফলে ভিডিওটি যাচাই এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। তার সঙ্গে থাকা যুবতীর পরিচয়ও জানা যায়নি। ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি নিয়ে তিনি গোপালগঞ্জের দিকে চলে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

পুলিশ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থলের তথ্য যাচাই করছে। ভিডিওটি ভাঙ্গার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে নিশ্চিত হলে গাড়ির নম্বরসহ অন্যান্য তথ্যের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

প্রকাশ্য মহাসড়কে এভাবে গুলি ছোড়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কে এ ধরনের ঘটনা সাধারণ পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সত্যিই গুলি ছুড়েছেন কি না এবং তিনি নিজেকে ‘কমিশনারের ভাগনে’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।