ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুগল আপনার সম্পর্কে আসলে কতটা জানে? দেখুন নিজেই

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০১

ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন দেখানোর ক্ষেত্রেও আপনার কার্যকলাপ গুরুত্বপূর্ণ।

গুগল আপনার সম্পর্কে কতটা তথ্য জানে, তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি গুগলের কোন কোন সেবা ব্যবহার করছেন এবং অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস কীভাবে রাখা হয়েছে তার ওপর। গুগলে কিছু খোঁজা, ইউটিউব দেখা, মানচিত্রে পথ খোঁজা কিংবা অনলাইনে কেনাকাটার মতো দৈনন্দিন কাজ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে আপনার আগ্রহ, পছন্দ ও ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে গুগল।

প্রতিদিনের অনেক সাধারণ কাজের মধ্য দিয়েই এই তথ্য তৈরি হয়। সকালে আবহাওয়া দেখা, কোনো খবর খোঁজা, নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার পথ বের করা কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখা সবকিছুরই কিছু অংশ আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তবে সব তথ্য সবার ক্ষেত্রে একইভাবে সংরক্ষিত হয় না। আপনার ব্যবহার, অনুমতি ও গোপনীয়তা সেটিংসের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।

গুগল আপনার সার্চের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। আপনি গুগলে কী খুঁজেছেন, তার একটি বড় অংশ ‘ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি’তে সংরক্ষিত হতে পারে। এই সেটিং চালু থাকলে সার্চসহ বিভিন্ন গুগল সেবা ব্যবহারের কার্যকলাপ অ্যাকাউন্টে জমা হতে পারে। কিছু সেটিংস চালু থাকলে ক্রোমে দেখা ওয়েবসাইট বা নির্দিষ্ট অ্যাপ ও যন্ত্রের কার্যকলাপও এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

পুরোনো এসব তথ্য দেখতে গুগল অ্যাকাউন্টের ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’ বিভাগে যাওয়া যায়। সেখানে সময়, তারিখ বা কোন সেবা ব্যবহার করা হয়েছে, সে অনুযায়ী আগের কার্যকলাপ দেখা সম্ভব। ব্যবহারকারী চাইলে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য, নির্দিষ্ট সময়ের হিস্টরি কিংবা সব কার্যকলাপ মুছে ফেলতে পারেন। কতদিনের তথ্য সেখানে পাওয়া যাবে, তা নির্ভর করে হিস্টরি সংরক্ষণের সেটিংসের ওপর।

ইউটিউব আপনার পছন্দ বুঝতে পারে।আপনার পছন্দ বুঝতে পারে।ইউটিউব আপনার পছন্দ বুঝতে পারে।ইউটিউবও আপনার আগ্রহ সম্পর্কে বেশ কিছু ধারণা দিতে পারে। ধরুন, কয়েক দিন ধরে আপনি শুধু ভ্রমণসংক্রান্ত ভিডিও দেখছেন বা সার্চ করছেন। তখন ইউটিউব আপনার পরবর্তী ভিডিও সাজেস্ট করার সময় সেই আগ্রহকে গুরুত্ব দিতে পারে। আপনার দেখা ও খোঁজা ভিডিওর তথ্য হিস্টরিতে সংরক্ষিত হতে পারে।

এখানেই শেষ নয়, ব্যক্তিগতভাবে সাজানো বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও এসব তথ্যের প্রভাব থাকতে পারে। আপনি কী ধরনের কনটেন্ট দেখছেন বা কোন বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছেন, তার ভিত্তিতে বিজ্ঞাপনের ধরন বদলাতে পারে। তবে বিজ্ঞাপন ব্যক্তিগতভাবে সাজানোর সেটিং নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ‘মাই অ্যাড সেন্টার’ থেকে ব্যবহারকারী এ বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

গুগল আপনার অবস্থান সম্পর্কেও তথ্য পেতে পারে। আপনার অবস্থান সম্পর্কেও তথ্য জানতে পারে, যদিও এর পরিমাণ ও ধরন নির্ভর করে ব্যবহৃত সেবা ও সেটিংসের ওপর। ‘টাইমলাইন’ চালু থাকলে আপনি কোথায় গেছেন, কোন পথে চলেছেন বা কোথায় সময় কাটিয়েছেন এসবের তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে। পরে সেই ভ্রমণ বা চলাচলের ইতিহাসও দেখা সম্ভব হয়।

শুধু ফোনের লোকেশন বন্ধ করলেই অবস্থানসংক্রান্ত সব তথ্য বন্ধ হয়ে যায় এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কিছু গুগল সেবা ইন্টারনেট সংযোগের তথ্য ব্যবহার করে আনুমানিক অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে। তাই অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা জানতে অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন দেখানোর ক্ষেত্রেও আপনার কার্যকলাপ গুরুত্বপূর্ণ।অনেকে আবার একটি পণ্য খোঁজার পর সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন অন্য জায়গায় দেখতে পান। তখন মনে হয়, গুগল হয়তো তাঁদের কথা শুনছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যাখ্যা অন্য জায়গায়। আপনার সার্চ, ওয়েবসাইট ভিজিট, ব্যবহৃত যন্ত্র বা আনুমানিক অবস্থানের মতো তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন সাজানো হতে পারে।

গুগলের বিভিন্ন সেবা একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত থাকায় পুরো বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একই অ্যাকাউন্ট দিয়ে সার্চ, ইউটিউব, জিমেইল, ম্যাপ, গুগল ফটোস ও অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করলে এসব সেবার অভিজ্ঞতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে, জিমেইলে থাকা ভ্রমণের তথ্য ব্যবহার করে গুগল ক্যালেন্ডার বা ম্যাপে কিছু সুবিধা দেওয়া হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গুগল আপনার সবকিছু জানে না।আপনার ফোনে থাকা প্রতিটি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগলের কাছে চলে যায় না এবং গুগল আপনার মনের কথা পড়তে পারে না। কোন তথ্য সংগ্রহ করা হবে, তা নির্ভর করে আপনি কোন সেবা ব্যবহার করছেন, কী অনুমতি দিয়েছেন এবং কোন হিস্টরি বা গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ চালু রেখেছেন তার ওপর।

গুগল ব্যবহারকারীদের নিজেদের তথ্য দেখার ও নিয়ন্ত্রণ করার বেশ কিছু সুযোগও দেয়। ‘ডাটা অ্যান্ড প্রাইভেসি’ বিভাগ থেকে ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’তে গিয়ে সংরক্ষিত কার্যকলাপ দেখা যায়। ‘হিস্টরি সেটিংস’ থেকে ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি, টাইমলাইন এবং ইউটিউব হিস্টরি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। চাইলে কিছু তথ্য নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার ব্যবস্থাও করা যায়।

তাই গুগল আপনার সম্পর্কে আসলে কতটা জানে, তার সবচেয়ে বাস্তব উত্তর পাওয়া যাবে নিজের অ্যাকাউন্ট দেখলেই। ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’, ‘টাইমলাইন’ এবং ‘মাই অ্যাড সেন্টার’ একবার খুলে দেখুন। সেখানে এমন কিছু পুরোনো তথ্যও মিলতে পারে, যা আপনি নিজেই ভুলে গেছেন। তখন বোঝা যাবে, গুগল আপনার সম্পর্কে যতটা জানে বলে মনে হয়েছিল, বাস্তবে তা তার চেয়ে বেশি অথবা কম।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুগল আপনার সম্পর্কে আসলে কতটা জানে? দেখুন নিজেই

Update Time : ০৪:০০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

গুগল আপনার সম্পর্কে কতটা তথ্য জানে, তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি গুগলের কোন কোন সেবা ব্যবহার করছেন এবং অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস কীভাবে রাখা হয়েছে তার ওপর। গুগলে কিছু খোঁজা, ইউটিউব দেখা, মানচিত্রে পথ খোঁজা কিংবা অনলাইনে কেনাকাটার মতো দৈনন্দিন কাজ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে আপনার আগ্রহ, পছন্দ ও ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে গুগল।

প্রতিদিনের অনেক সাধারণ কাজের মধ্য দিয়েই এই তথ্য তৈরি হয়। সকালে আবহাওয়া দেখা, কোনো খবর খোঁজা, নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার পথ বের করা কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখা সবকিছুরই কিছু অংশ আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তবে সব তথ্য সবার ক্ষেত্রে একইভাবে সংরক্ষিত হয় না। আপনার ব্যবহার, অনুমতি ও গোপনীয়তা সেটিংসের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।

গুগল আপনার সার্চের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। আপনি গুগলে কী খুঁজেছেন, তার একটি বড় অংশ ‘ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি’তে সংরক্ষিত হতে পারে। এই সেটিং চালু থাকলে সার্চসহ বিভিন্ন গুগল সেবা ব্যবহারের কার্যকলাপ অ্যাকাউন্টে জমা হতে পারে। কিছু সেটিংস চালু থাকলে ক্রোমে দেখা ওয়েবসাইট বা নির্দিষ্ট অ্যাপ ও যন্ত্রের কার্যকলাপও এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

পুরোনো এসব তথ্য দেখতে গুগল অ্যাকাউন্টের ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’ বিভাগে যাওয়া যায়। সেখানে সময়, তারিখ বা কোন সেবা ব্যবহার করা হয়েছে, সে অনুযায়ী আগের কার্যকলাপ দেখা সম্ভব। ব্যবহারকারী চাইলে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য, নির্দিষ্ট সময়ের হিস্টরি কিংবা সব কার্যকলাপ মুছে ফেলতে পারেন। কতদিনের তথ্য সেখানে পাওয়া যাবে, তা নির্ভর করে হিস্টরি সংরক্ষণের সেটিংসের ওপর।

ইউটিউব আপনার পছন্দ বুঝতে পারে।আপনার পছন্দ বুঝতে পারে।ইউটিউব আপনার পছন্দ বুঝতে পারে।ইউটিউবও আপনার আগ্রহ সম্পর্কে বেশ কিছু ধারণা দিতে পারে। ধরুন, কয়েক দিন ধরে আপনি শুধু ভ্রমণসংক্রান্ত ভিডিও দেখছেন বা সার্চ করছেন। তখন ইউটিউব আপনার পরবর্তী ভিডিও সাজেস্ট করার সময় সেই আগ্রহকে গুরুত্ব দিতে পারে। আপনার দেখা ও খোঁজা ভিডিওর তথ্য হিস্টরিতে সংরক্ষিত হতে পারে।

এখানেই শেষ নয়, ব্যক্তিগতভাবে সাজানো বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও এসব তথ্যের প্রভাব থাকতে পারে। আপনি কী ধরনের কনটেন্ট দেখছেন বা কোন বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছেন, তার ভিত্তিতে বিজ্ঞাপনের ধরন বদলাতে পারে। তবে বিজ্ঞাপন ব্যক্তিগতভাবে সাজানোর সেটিং নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ‘মাই অ্যাড সেন্টার’ থেকে ব্যবহারকারী এ বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

গুগল আপনার অবস্থান সম্পর্কেও তথ্য পেতে পারে। আপনার অবস্থান সম্পর্কেও তথ্য জানতে পারে, যদিও এর পরিমাণ ও ধরন নির্ভর করে ব্যবহৃত সেবা ও সেটিংসের ওপর। ‘টাইমলাইন’ চালু থাকলে আপনি কোথায় গেছেন, কোন পথে চলেছেন বা কোথায় সময় কাটিয়েছেন এসবের তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে। পরে সেই ভ্রমণ বা চলাচলের ইতিহাসও দেখা সম্ভব হয়।

শুধু ফোনের লোকেশন বন্ধ করলেই অবস্থানসংক্রান্ত সব তথ্য বন্ধ হয়ে যায় এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কিছু গুগল সেবা ইন্টারনেট সংযোগের তথ্য ব্যবহার করে আনুমানিক অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে। তাই অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা জানতে অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন দেখানোর ক্ষেত্রেও আপনার কার্যকলাপ গুরুত্বপূর্ণ।অনেকে আবার একটি পণ্য খোঁজার পর সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন অন্য জায়গায় দেখতে পান। তখন মনে হয়, গুগল হয়তো তাঁদের কথা শুনছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যাখ্যা অন্য জায়গায়। আপনার সার্চ, ওয়েবসাইট ভিজিট, ব্যবহৃত যন্ত্র বা আনুমানিক অবস্থানের মতো তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন সাজানো হতে পারে।

গুগলের বিভিন্ন সেবা একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত থাকায় পুরো বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একই অ্যাকাউন্ট দিয়ে সার্চ, ইউটিউব, জিমেইল, ম্যাপ, গুগল ফটোস ও অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করলে এসব সেবার অভিজ্ঞতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে, জিমেইলে থাকা ভ্রমণের তথ্য ব্যবহার করে গুগল ক্যালেন্ডার বা ম্যাপে কিছু সুবিধা দেওয়া হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গুগল আপনার সবকিছু জানে না।আপনার ফোনে থাকা প্রতিটি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগলের কাছে চলে যায় না এবং গুগল আপনার মনের কথা পড়তে পারে না। কোন তথ্য সংগ্রহ করা হবে, তা নির্ভর করে আপনি কোন সেবা ব্যবহার করছেন, কী অনুমতি দিয়েছেন এবং কোন হিস্টরি বা গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ চালু রেখেছেন তার ওপর।

গুগল ব্যবহারকারীদের নিজেদের তথ্য দেখার ও নিয়ন্ত্রণ করার বেশ কিছু সুযোগও দেয়। ‘ডাটা অ্যান্ড প্রাইভেসি’ বিভাগ থেকে ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’তে গিয়ে সংরক্ষিত কার্যকলাপ দেখা যায়। ‘হিস্টরি সেটিংস’ থেকে ওয়েব অ্যান্ড অ্যাপ অ্যাক্টিভিটি, টাইমলাইন এবং ইউটিউব হিস্টরি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। চাইলে কিছু তথ্য নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলার ব্যবস্থাও করা যায়।

তাই গুগল আপনার সম্পর্কে আসলে কতটা জানে, তার সবচেয়ে বাস্তব উত্তর পাওয়া যাবে নিজের অ্যাকাউন্ট দেখলেই। ‘মাই অ্যাক্টিভিটি’, ‘টাইমলাইন’ এবং ‘মাই অ্যাড সেন্টার’ একবার খুলে দেখুন। সেখানে এমন কিছু পুরোনো তথ্যও মিলতে পারে, যা আপনি নিজেই ভুলে গেছেন। তখন বোঝা যাবে, গুগল আপনার সম্পর্কে যতটা জানে বলে মনে হয়েছিল, বাস্তবে তা তার চেয়ে বেশি অথবা কম।