ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:১৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০০

পরিবেশ ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বাঁশ | ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ। পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই অর্থনীতিতে বাঁশের বহুমুখী ব্যবহার তুলে ধরতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে দিবসটি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউবিও) উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য—‘ব্যাম্বু বেয়ন্ড বর্ডার্স’, যার অর্থ ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাঁশ’।

একসময় গ্রামীণ জীবনের অন্যতম পরিচিত উপকরণ ছিল বাঁশ। সময়ের সঙ্গে এর ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশবান্ধব শিল্প, নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবেও বাঁশের ব্যবহার হচ্ছে। আসবাবপত্র, কাগজ, ঘরবাড়ি নির্মাণসহ দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরেই এই উদ্ভিদ কাজে লাগানো হচ্ছে।

প্রতিবছর ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব বাঁশ দিবস পালিত হয়। বিশ্ব বাঁশ সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন করা হয়ে থাকে। ২০০৫ সালে ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশন প্রতিষ্ঠার পর বাঁশের সম্ভাবনা ও বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা কার্যক্রম আরও বাড়তে থাকে। পরে ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও বাঁশের ভূমিকা রয়েছে। দ্রুত বেড়ে ওঠা এই উদ্ভিদ কার্বন শোষণ করতে পারে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে বাঁশকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প ও হস্তশিল্পে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে পরিবেশের পাশাপাশি অর্থনীতিতেও বাঁশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

বিশ্ব বাঁশ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বাঁশের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব মানুষের সামনে তুলে ধরা। একই সঙ্গে বাঁশের টেকসই ব্যবহার বাড়ানো এবং বাঁশভিত্তিক পণ্যের ব্যবহারকে উৎসাহিত করাও দিবসটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। পরিবেশবান্ধব বিকল্পের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাঁশের নতুন নতুন ব্যবহারও সামনে আসছে।

গ্রামীণ জীবন থেকে আধুনিক শিল্প—বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁশের ব্যবহার এখন আর শুধু ঐতিহ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পরিবেশ সুরক্ষা, কর্মসংস্থান ও টেকসই অর্থনীতিতে এর সম্ভাবনা বিবেচনায় বাঁশকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই বিশ্ব বাঁশ দিবস শুধু একটি উদ্ভিদকে ঘিরে উদযাপন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতনতা তৈরিরও একটি উদ্যোগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

Update Time : ০১:১৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ। পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই অর্থনীতিতে বাঁশের বহুমুখী ব্যবহার তুলে ধরতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে দিবসটি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউবিও) উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য—‘ব্যাম্বু বেয়ন্ড বর্ডার্স’, যার অর্থ ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাঁশ’।

একসময় গ্রামীণ জীবনের অন্যতম পরিচিত উপকরণ ছিল বাঁশ। সময়ের সঙ্গে এর ব্যবহার আরও বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশবান্ধব শিল্প, নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবেও বাঁশের ব্যবহার হচ্ছে। আসবাবপত্র, কাগজ, ঘরবাড়ি নির্মাণসহ দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরেই এই উদ্ভিদ কাজে লাগানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন  কবুল বলা ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে হয়ে যায় ,ইসলামে বিয়ের ইজাব-কবুলের বিধান

প্রতিবছর ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব বাঁশ দিবস পালিত হয়। বিশ্ব বাঁশ সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন করা হয়ে থাকে। ২০০৫ সালে ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশন প্রতিষ্ঠার পর বাঁশের সম্ভাবনা ও বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা কার্যক্রম আরও বাড়তে থাকে। পরে ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন  লিভার নষ্ট হওয়ার আগেই শরীর যে ১০ সংকেত দেয়

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও বাঁশের ভূমিকা রয়েছে। দ্রুত বেড়ে ওঠা এই উদ্ভিদ কার্বন শোষণ করতে পারে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে বাঁশকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প ও হস্তশিল্পে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে পরিবেশের পাশাপাশি অর্থনীতিতেও বাঁশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

বিশ্ব বাঁশ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বাঁশের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব মানুষের সামনে তুলে ধরা। একই সঙ্গে বাঁশের টেকসই ব্যবহার বাড়ানো এবং বাঁশভিত্তিক পণ্যের ব্যবহারকে উৎসাহিত করাও দিবসটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। পরিবেশবান্ধব বিকল্পের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাঁশের নতুন নতুন ব্যবহারও সামনে আসছে।

আরও পড়ুন  ইমাম ও মুয়াজ্জিন সংখ্যা নিয়ে জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন ধর্মমন্ত্রী

গ্রামীণ জীবন থেকে আধুনিক শিল্প—বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁশের ব্যবহার এখন আর শুধু ঐতিহ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পরিবেশ সুরক্ষা, কর্মসংস্থান ও টেকসই অর্থনীতিতে এর সম্ভাবনা বিবেচনায় বাঁশকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই বিশ্ব বাঁশ দিবস শুধু একটি উদ্ভিদকে ঘিরে উদযাপন নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতনতা তৈরিরও একটি উদ্যোগ।