ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের এলএনজি বাজারে এবার রাশিয়ার আগ্রহ, সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-চীন Logo তিন মাসেও বোর্ড নেই, কমছে আমানত, ইসলামী ব্যাংকের সামনে বড় সংকট Logo জবিতে সংঘর্ষ ও রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদ ছাত্র ফ্রন্টের Logo ট্রাম্প-শির বৈঠকে বাণিজ্য, এআই ও বিরল খনিজ নিয়ে আলোচনা Logo ঢাবিতে অপ্রতিম-আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল Logo চন্দনাইশে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ Logo চন্দনাইশে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ মাদকসেবী গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড Logo ওয়ান হেলথ: পরিবেশ-জনস্বাস্থ্য সমন্বয়ে মন্ত্রীর বার্তা Logo ট্রাম্পের হামলা বাতিলের পরই গুরুত্বপূর্ণ কাহবুব অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে তীব্র অভিযান হুতিদের Logo ভালভের্দের চোটে রিয়ালের বড় ধাক্কা

চন্দনাইশে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২০

চন্দনাইশে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মিজানুর রহমান।

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ মো. নুরুল আলম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ২নং জোয়ারা ইউনিয়নের উত্তর জোয়ারা (নগর পাড়া) ৯ নং ওয়ার্ডে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

প্রতিবাদে তিনি জানান, নুরুল আলম ও আবু ইউছুফ আপন দুই ভাই। তাদের বসতভিটার পূর্ব অংশে আবু ইউছুফ এবং পশ্চিম অংশে নুরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছেন। নুরুল আলম বিভিন্ন সময় অর্থ সংকটে পড়লে তার দখলীয় ভিটা থেকে ১৯৮৩ সালে ১ শতক এবং ২০০৫ সালে আধা শতক জায়গা আবু ইউছুফের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। পরবর্তীতে নুরুল আলম মারা গেলে তার বড় ছেলে নবিদুর রহমানও তার প্রাপ্ত অংশ পুরোটাই আবু ইউছুফের কাছে বিক্রি করে দেন। নুরুল আলম ও তার পুত্রের দলিল সহ মোট ২ শতক বা এক গন্ডা জায়গা নুরুল আলমের অংশ থেকে আবুু ইউচুপ পাওনা রয়েছে।

চন্দনাইশে জমি বিরোধের অভিযোগ
জমি ও বসতভিটা নিয়ে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দাবি।

২০০৯ সালে আবু ইউছুফ নতুন ঘর নির্মাণকালে ভিটা পরিমাপ করতে বললে নুরুল আলমের ওয়ারিশরা বিক্রিত জায়গা ছেড়ে দেওয়ার ভয়ে পরিমাপে আসেননি। পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ২০১০ সালে সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে রোয়েদাদ সৃষ্টি হয়। রোয়েদাদ অনুযায়ী নুরুল আলমের পরিবারের চলাচলের জন্য ভিটার উত্তর পাশে ৩ ফুট রাস্তা উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত মেনে ৩ ফুট রাস্তা রেখেই আবু ইউছুফ তার গৃহ নির্মাণ করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিক্রিত অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে নুরুল আলমের ওয়ারিশরা চন্দনাইশ থানায় চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ দেন। থানা পুলিশ তদন্তে এসে রোয়েদাদ মোতাবেক ৩ ফুট রাস্তা উন্মুক্ত আছে মর্মে প্রতিবেদন দেন। এরপর তারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগ করলে সেখানেও তদন্তে ৩ ফুট রাস্তা উন্মুক্ত আছে বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবু ইউছুফের ক্রয়কৃত অংশ পরিমাপ করে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় প্রতিপক্ষ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লাঠি, লোহার রড ও দায়ের বাঁট দিয়ে হামলা চালায়। এতে আবু ইউছুফের বড় ছেলে আমিনুর রহমানের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয় এবং ছোট ছেলে মিজানুর রহমানের বাম হাতের হাড় ভেঙে যায়।

এ ঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চন্দনাইশ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়, যার মামলা নং- ০৭।

ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, “আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা আত্মসাতের জন্য একটি মহল মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাদের হয়রানি করছে এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাই তারা পরিকল্পিত ভাবে আমার ইমেজ ক্ষুন্ন করারা যড়যন্ত্রে তারা লিপ্ত। আমি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের এলএনজি বাজারে এবার রাশিয়ার আগ্রহ, সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-চীন

চন্দনাইশে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

Update Time : ১০:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ মো. নুরুল আলম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ২নং জোয়ারা ইউনিয়নের উত্তর জোয়ারা (নগর পাড়া) ৯ নং ওয়ার্ডে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

প্রতিবাদে তিনি জানান, নুরুল আলম ও আবু ইউছুফ আপন দুই ভাই। তাদের বসতভিটার পূর্ব অংশে আবু ইউছুফ এবং পশ্চিম অংশে নুরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছেন। নুরুল আলম বিভিন্ন সময় অর্থ সংকটে পড়লে তার দখলীয় ভিটা থেকে ১৯৮৩ সালে ১ শতক এবং ২০০৫ সালে আধা শতক জায়গা আবু ইউছুফের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। পরবর্তীতে নুরুল আলম মারা গেলে তার বড় ছেলে নবিদুর রহমানও তার প্রাপ্ত অংশ পুরোটাই আবু ইউছুফের কাছে বিক্রি করে দেন। নুরুল আলম ও তার পুত্রের দলিল সহ মোট ২ শতক বা এক গন্ডা জায়গা নুরুল আলমের অংশ থেকে আবুু ইউচুপ পাওনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  কোরবানির পশুর যেসব অংশ খাওয়া নিষেধ: ইসলাম কী বলে?
চন্দনাইশে জমি বিরোধের অভিযোগ
জমি ও বসতভিটা নিয়ে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দাবি।

২০০৯ সালে আবু ইউছুফ নতুন ঘর নির্মাণকালে ভিটা পরিমাপ করতে বললে নুরুল আলমের ওয়ারিশরা বিক্রিত জায়গা ছেড়ে দেওয়ার ভয়ে পরিমাপে আসেননি। পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ২০১০ সালে সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে রোয়েদাদ সৃষ্টি হয়। রোয়েদাদ অনুযায়ী নুরুল আলমের পরিবারের চলাচলের জন্য ভিটার উত্তর পাশে ৩ ফুট রাস্তা উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত মেনে ৩ ফুট রাস্তা রেখেই আবু ইউছুফ তার গৃহ নির্মাণ করেন।

আরও পড়ুন  সাইকোজেনিক পলিডিপসিয়া: অতিরিক্ত পানি পান কেন হতে পারে বিপজ্জনক

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিক্রিত অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে নুরুল আলমের ওয়ারিশরা চন্দনাইশ থানায় চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ দেন। থানা পুলিশ তদন্তে এসে রোয়েদাদ মোতাবেক ৩ ফুট রাস্তা উন্মুক্ত আছে মর্মে প্রতিবেদন দেন। এরপর তারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগ করলে সেখানেও তদন্তে ৩ ফুট রাস্তা উন্মুক্ত আছে বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবু ইউছুফের ক্রয়কৃত অংশ পরিমাপ করে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় প্রতিপক্ষ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লাঠি, লোহার রড ও দায়ের বাঁট দিয়ে হামলা চালায়। এতে আবু ইউছুফের বড় ছেলে আমিনুর রহমানের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয় এবং ছোট ছেলে মিজানুর রহমানের বাম হাতের হাড় ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন  জমি নিয়ে বিরোধ, বোয়ালখালীতে ছোট ভাইয়ের আঘাতে বড় ভাই নিহত

এ ঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চন্দনাইশ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়, যার মামলা নং- ০৭।

ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, “আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা আত্মসাতের জন্য একটি মহল মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাদের হয়রানি করছে এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাই তারা পরিকল্পিত ভাবে আমার ইমেজ ক্ষুন্ন করারা যড়যন্ত্রে তারা লিপ্ত। আমি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবি করছি।”