ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু: মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও প্রবীণ রাজনীতিক আর নেই

তোফায়েল আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ ৮২ বছর বয়সে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। নিউমোনিয়া, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথমবারের মতো ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে সম্বোধন করার কৃতিত্বও তার।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে তিনি মুজিব বাহিনীর নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর তিনি আটবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে শিল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের মতবিনিময় সভা

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু: মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও প্রবীণ রাজনীতিক আর নেই

Update Time : ০৭:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ ৮২ বছর বয়সে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। নিউমোনিয়া, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন  কর্ণফুলী নদীতে মোবাইল কোর্ট, ১১ মামলায় অর্থদণ্ড প্রদান

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথমবারের মতো ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে সম্বোধন করার কৃতিত্বও তার।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে তিনি মুজিব বাহিনীর নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর তিনি আটবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে শিল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন  সামাজিক অবক্ষয়ে বাড়ছে নৃশংসতা, উদ্বেগে সমাজ ও পরিবার