এক দিনের সরকারি সফরে শনিবার সকালে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকা তারেক রহমান।
সফরকালে তিনি উপকূলীয় উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় প্রশাসনিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
দিনভর কর্মসূচি শেষে রাতের ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে।
কক্সবাজারে পৌঁছে তিনি সরাসরি বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করবেন।
এ সফরকে সরকারের চলমান উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কক্সবাজারে নামার পর তিনি সড়কপথে চকরিয়ার পিএমখালী এলাকায় যাবেন।
সেখানে পাতলী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধনী কার্যক্রমে অংশ নেবেন তিনি।
এ প্রকল্পটি স্থানীয় জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি মালুমঘাট সংরক্ষিত বন এলাকায় দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা ও বনায়নে নতুন গতি আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে এটিকে একটি বড় পরিবেশ উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে।
দুপুরের দিকে তিনি চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন।
এ জনসভায় স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো ও রাজনৈতিক অগ্রগতির বিষয়গুলো উঠে আসবে।
বহু নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এরপর বিকেলে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
সেখানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
সমাবেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হবে।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন।
এই সড়কটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন অবকাঠামো হিসেবে পরিচিত।
এর রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সফরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হিসেবে পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।
এ উদ্যোগ স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরের সব কর্মসূচি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বিশেষ নজর রাখা হয়েছে।
সফর শেষে তিনি রাতেই ঢাকায় ফিরে আসবেন।
স্থানীয় জনগণ এই সফরকে উন্নয়নমূলক অগ্রগতির একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছে।
বিশেষ করে বৃক্ষরোপণ ও খাল পুনঃখনন প্রকল্প নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
অনেকে আশা করছেন, এসব উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে উপকূলীয় অঞ্চলের জীবনমান উন্নত করবে।



























