ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

হীরক জয়ন্তীর আনন্দ দ্বিগুণ করার সুযোগ ইংল্যান্ডের সামনে

দলের নেতৃত্বে আছেন হ্যারি কেইন। ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে বড় স্বপ্ন নিয়ে। ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ডের সাফল্য খুব বেশি নয়। ১৯৬৬ সালে নিজেদের মাটিতে একমাত্র শিরোপা জয়ের পর কেটে গেছে প্রায় ছয় দশক। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর আশায় রয়েছে থ্রি লায়নস।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে ইংল্যান্ডের নামের পাশে রয়েছে মাত্র একটি ট্রফি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলটি ধারাবাহিকভাবে ভালো ফুটবল উপহার দিয়েছে। সেমিফাইনাল, কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতাগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স সমর্থকদের নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। তাই এবারের টুর্নামেন্টে তাদের দিকে বিশেষ নজর থাকবে ফুটবল বিশ্বের।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ মিশনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে একটি ঐতিহাসিক উপলক্ষ। আগামী ৩০ জুলাই তাদের বিশ্বকাপ জয়ের ৬০ বছর পূর্ণ হবে। তার আগেই যদি দলটি আবারও বিশ্বসেরা হতে পারে, তাহলে হীরক জয়ন্তীর উদযাপন আরও স্মরণীয় হয়ে উঠবে। এই বিশেষ অনুপ্রেরণা খেলোয়াড়দের বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে।

দলের দায়িত্বে রয়েছেন জার্মান কোচ টমাস টুখেল। তার কৌশলগত দক্ষতা এবং বড় ম্যাচে সফলতার অভিজ্ঞতা ইংল্যান্ডকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। অন্যদিকে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ওপর থাকবে গোল করার বড় দায়িত্ব। তার সঙ্গে বুকায়ো সাকা, জুড বেলিংহাম, মার্কাস রাশফোর্ড, ডেকলান রাইস ও ওলি ওয়াটকিন্সের মতো তারকারা দলটিকে শক্তিশালী রূপ দিয়েছে।

গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডকে লড়তে হবে ক্রোয়েশিয়া, ঘানা এবং পানামার বিপক্ষে। কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচটি দলের আত্মবিশ্বাস গঠনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ভালো শুরু করতে পারলে নকআউট পর্বের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবার ভারসাম্যপূর্ণ একটি স্কোয়াড গঠন করেছে। গোলপোস্টে জর্ডান পিকফোর্ডের অভিজ্ঞতা, রক্ষণে জন স্টোনস ও মার্ক গেহির দৃঢ়তা এবং মাঝমাঠে জুড বেলিংহাম-ডেকলান রাইস জুটি দলকে শক্তিশালী করেছে। আক্রমণভাগেও রয়েছে একাধিক ম্যাচজয়ী ফুটবলার।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার মিশেলে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষা শেষ করে তারা আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলতে পারে কি না। সমর্থকরাও সেই স্বপ্ন নিয়েই তাকিয়ে আছেন আসন্ন টুর্নামেন্টের দিকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইভরি কোস্টের জয়: শেষ মুহূর্তের গোলে হারল ইকুয়েডর

হীরক জয়ন্তীর আনন্দ দ্বিগুণ করার সুযোগ ইংল্যান্ডের সামনে

Update Time : ০৫:২১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে বড় স্বপ্ন নিয়ে। ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ডের সাফল্য খুব বেশি নয়। ১৯৬৬ সালে নিজেদের মাটিতে একমাত্র শিরোপা জয়ের পর কেটে গেছে প্রায় ছয় দশক। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর আশায় রয়েছে থ্রি লায়নস।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে ইংল্যান্ডের নামের পাশে রয়েছে মাত্র একটি ট্রফি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলটি ধারাবাহিকভাবে ভালো ফুটবল উপহার দিয়েছে। সেমিফাইনাল, কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতাগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স সমর্থকদের নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। তাই এবারের টুর্নামেন্টে তাদের দিকে বিশেষ নজর থাকবে ফুটবল বিশ্বের।

আরও পড়ুন  টিভিতে আইপিএলসহ আজকের খেলার সূচি

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ মিশনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে একটি ঐতিহাসিক উপলক্ষ। আগামী ৩০ জুলাই তাদের বিশ্বকাপ জয়ের ৬০ বছর পূর্ণ হবে। তার আগেই যদি দলটি আবারও বিশ্বসেরা হতে পারে, তাহলে হীরক জয়ন্তীর উদযাপন আরও স্মরণীয় হয়ে উঠবে। এই বিশেষ অনুপ্রেরণা খেলোয়াড়দের বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে।

দলের দায়িত্বে রয়েছেন জার্মান কোচ টমাস টুখেল। তার কৌশলগত দক্ষতা এবং বড় ম্যাচে সফলতার অভিজ্ঞতা ইংল্যান্ডকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। অন্যদিকে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ওপর থাকবে গোল করার বড় দায়িত্ব। তার সঙ্গে বুকায়ো সাকা, জুড বেলিংহাম, মার্কাস রাশফোর্ড, ডেকলান রাইস ও ওলি ওয়াটকিন্সের মতো তারকারা দলটিকে শক্তিশালী রূপ দিয়েছে।

আরও পড়ুন  নিরাপত্তার গ্যারান্টি পেলে পরশুই দেশে ফিরবেন সাকিব

গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডকে লড়তে হবে ক্রোয়েশিয়া, ঘানা এবং পানামার বিপক্ষে। কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচটি দলের আত্মবিশ্বাস গঠনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ভালো শুরু করতে পারলে নকআউট পর্বের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবার ভারসাম্যপূর্ণ একটি স্কোয়াড গঠন করেছে। গোলপোস্টে জর্ডান পিকফোর্ডের অভিজ্ঞতা, রক্ষণে জন স্টোনস ও মার্ক গেহির দৃঢ়তা এবং মাঝমাঠে জুড বেলিংহাম-ডেকলান রাইস জুটি দলকে শক্তিশালী করেছে। আক্রমণভাগেও রয়েছে একাধিক ম্যাচজয়ী ফুটবলার।

আরও পড়ুন  মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ, নেইমার ছাড়াই চমক

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার মিশেলে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষা শেষ করে তারা আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলতে পারে কি না। সমর্থকরাও সেই স্বপ্ন নিয়েই তাকিয়ে আছেন আসন্ন টুর্নামেন্টের দিকে।