ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য ও দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হবে। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ইরান সরকার।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, আগামী ৪ জুলাই থেকে রাজধানী তেহরান এবং পবিত্র তীর্থনগরী কোমে আনুষ্ঠানিক শোকানুষ্ঠান শুরু হবে। কয়েক দিনব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে খামেনির প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে।
মেহের নিউজের বরাতে জানা গেছে, খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে ৯ জুলাই দাফন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ধারণা, শেষকৃত্যে প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। এত বড় জনসমাগমকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ইরানের পুলিশ প্রশাসন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যৌথভাবে পুরো কর্মসূচির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি ত্রাণ, স্বাস্থ্যসেবা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের পাশাপাশি প্রতিবেশী ইরাকের শিয়া অধ্যুষিত পবিত্র শহর কারবালাতেও খামেনির স্মরণে বিশেষ শোকসভার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইরাকে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তার সরকারি বাসভবনে বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সে খামেনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে কয়েক দফা পিছিয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ চার মাস পর অবশেষে জুলাইয়ের প্রথমার্ধে শেষকৃত্যের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
























