চন্দনাইশ প্রতিনিধি : মো. নুরুল আলম

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ অংশে লবণ-পানিতে পিচ্ছিল হয়ে প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা। বিশেষ করে দোহাজারী থেকে মুজাফফরাবাদ পর্যন্ত এলাকায় লবণবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান থেকে পড়া পানিতে মহাসড়ক পিচ্ছিল হয়ে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন কক্সবাজার ও মহেশখালী থেকে চট্টগ্রামের দিকে অপরিশোধিত লবণবাহী শত শত ট্রাক চলাচল করে। নিয়ম অনুযায়ী ত্রিপল দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে লবণ পরিবহনের কথা থাকলেও অনেক ট্রাকেই তা মানা হচ্ছে না। ট্রাক থেকে লবণ-মিশ্রিত পানি গড়িয়ে পড়ে মহাসড়কে। রোদে শুকিয়ে ওই পানি সাদা আস্তরণ তৈরি করে, বৃষ্টি বা কুয়াশায় তা ভয়ানক পিচ্ছিল হয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিকশা সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

ত্রিপল ছাড়া লবণবাহী ট্রাক
ত্রিপল ছাড়া লবণবাহী ট্রাক

গত কয়েক মাসে চন্দনাইশের দোহাজারী, গাছবাড়িয়া, রৌশনহাট ও বাগিচাহাট এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের অভিযোগ, দিনের পর দিন মহাসড়ক লবণ-পানিতে নষ্ট হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ। মহাসড়কে অনিয়ম রোধে তাদের নীরব ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দ্রুত লবণবাহী ট্রাকগুলো নিয়ন্ত্রণ ও মহাসড়ক পরিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আবছার বলেন, *"আমি সদ্য এই থানায় যোগদান করেছি। বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। মহাসড়কে এভাবে অরক্ষিত অবস্থায় লবণ পরিবহন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে লবণবাহী ট্রাকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব এবং মহাসড়কে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।