ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দিল্লি সফরে যাচ্ছেন। ভারতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ভিসা, বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে।ছবি- সংগ্রহীত

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিন দিনের সরকারি সফরে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভারতের রাজধানী New Delhi-এর উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। এই সফরে তিনি ভারতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। এছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরি-এর সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ নির্ধারিত রয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই সফরে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য বাধা কমানো, বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যু গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও জোর দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার দিকেই এই সফরের মূল লক্ষ্য থাকবে।

এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, কারণ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর। সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছাড়াও বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের মন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

দিল্লি সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরিশাসের পোর্ট লুইস-এ অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেবেন। জানা গেছে, ৯ এপ্রিল তিনি এবং এস জয়শঙ্কর একই ফ্লাইটে মরিশাসের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং ১১ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন।

“এই সফরের ফলাফল দুই দেশের সম্পর্কের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে বৈঠক

Update Time : ০৯:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিন দিনের সরকারি সফরে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভারতের রাজধানী New Delhi-এর উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। এই সফরে তিনি ভারতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। এছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরি-এর সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ নির্ধারিত রয়েছে।

আরও পড়ুন  হুথি হামলা: ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, ইরানকে সরাসরি দায়ী করবে যুক্তরাষ্ট্র

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই সফরে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য বাধা কমানো, বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যু গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও জোর দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার দিকেই এই সফরের মূল লক্ষ্য থাকবে।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর: লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার

এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, কারণ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর। সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছাড়াও বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের মন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

আরও পড়ুন  ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করতে দেবে না ইরান

দিল্লি সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরিশাসের পোর্ট লুইস-এ অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেবেন। জানা গেছে, ৯ এপ্রিল তিনি এবং এস জয়শঙ্কর একই ফ্লাইটে মরিশাসের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং ১১ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন।

“এই সফরের ফলাফল দুই দেশের সম্পর্কের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।”