ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ফিনল্যান্ডের মডেল কেন নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র? Logo পোলিশ অ্যাপেল কেকের সহজ রেসিপি! Logo ৬০ দিনের মধ্যে ৪-৫ বিলিয়ন ডলারের উড়োজাহাজ লিজ নেবে ইউএস-বাংলা Logo সুইডেনের নির্বাচনে ভোট শুরু, সরকারে প্রথমবার আসতে পারে উগ্র ডানপন্থীরা Logo মানচিত্রে আফ্রিকা এত ছোট কেন, বাস্তবে কতটা বড়? Logo iPhone 18 Pro বনাম iPhone 17 Pro নতুন মডেলে কী কী বদলেছে Logo প্রেমের নাটক-সিনেমা কি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? হাইকোর্টে রিট, নজর এখন আদালতের সিদ্ধান্তে Logo ‘হৃদয় টুকরো টুকরো হয়ে গেছে’, ভিনিসিয়ুসের সঙ্গীর জীবনে নেমে এলো শোক Logo ১০-০ গোলে উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক হার Logo মেসির পর আর্জেন্টিনা, ম্যারাডোনার ইতিহাস কী বলছে?

যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ফিনল্যান্ডের মডেল কেন নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র?

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০২

নৌবহর বাড়াতে ফিনল্যান্ডের মডেল অনুসরণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর দ্রুত সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় এবার ফিনল্যান্ডের জাহাজ নির্মাণ মডেল ব্যবহারের প্রস্তাব সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘Rebuilding the United States Navy and America’s Shipbuilding Industrial Base’ শীর্ষক একটি স্মারকে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ নির্মাণে এই মডেল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধের জন্য সারফেস শিপ, পণ্য ও সরঞ্জাম পরিবহনের ট্যাংকার এবং রোল-অন/রোল-অফ জাহাজ নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ICEPact থেকে ফিনল্যান্ড মডেলের ধারণা

এই মডেলের ভিত্তি হলো Icebreaker Collaboration Agreement বা ICEPact। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে করা এই চুক্তির লক্ষ্য তিন দেশের আইসব্রেকার বহর আধুনিক করা।

চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড ফিনল্যান্ড থেকে চারটি আইসব্রেকার সংগ্রহ করবে। পাশাপাশি আরও সাতটি আইসব্রেকার যুক্তরাষ্ট্রের শিপইয়ার্ডে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে পুরোনো আইসব্রেকারগুলো তুলনামূলক দ্রুত প্রতিস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।

ফিনল্যান্ডের Sata Shipbuilding ইয়ার্ডে প্রথম Arctic Security Cutter-এর নির্মাণ কাজ জুনে শুরু হয়েছে। একই নকশার আরেকটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার Bollinger Shipyard-এ ফিনল্যান্ডের Rauma Marine Constructions-এর সহযোগিতায় নির্মাণ করা হচ্ছে।

বিদেশি প্রযুক্তি, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান

ফিনল্যান্ড মডেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিদেশি শিপইয়ার্ড শুধু বিদেশে জাহাজ তৈরি করবে না; যুক্তরাষ্ট্রেও তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি তৈরি করতে হবে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদেশি নির্মাতাদের যুক্তরাষ্ট্রে শিপইয়ার্ড তৈরি, মার্কিন কর্মী নিয়োগ এবং নিজেদের জাহাজ নির্মাণ প্রযুক্তি ও কৌশল মার্কিন শিপইয়ার্ডের সঙ্গে লাইসেন্সের মাধ্যমে ভাগ করে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত জাহাজের জন্য দেশীয় সরবরাহ ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

দ্রুত জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি দক্ষ কর্মী

সমর্থকদের মতে, এই মডেল যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত নৌবহরের আকার বাড়ানোর সুযোগ দিতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে দেশটির জাহাজ নির্মাণ শিল্পে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দক্ষ কর্মী তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে।

জাহাজ নির্মাণে ওয়েল্ডার, পাইপফিটার, ইলেকট্রিশিয়ান, নৌ-স্থপতি, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, প্রপালশন বিশেষজ্ঞ এবং শিপইয়ার্ড সুপারভাইজারের মতো দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হয়। ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে নতুন মার্কিন কর্মী তৈরি হতে পারে।

তবে কংগ্রেসে প্রবল আপত্তি

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের একাংশের বিরোধিতা। মেইনের প্রতিনিধি জ্যারেড গোল্ডেন ২০২৭ অর্থবছরের National Defense Authorization Act-এ এমন একটি সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছেন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কোনো শিপইয়ার্ডে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ২০২৭ সালের অর্থ ব্যবহার বন্ধ করা হতে পারে।

তার যুক্তি, বিদেশে জাহাজ নির্মাণের ফলে মার্কিন শিপইয়ার্ডের কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্যান্য জাহাজ নির্মাণকারী অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিরাও এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

তবে ফিনল্যান্ড মডেলের সমর্থকদের পাল্টা যুক্তি হলো, মার্কিন শিপইয়ার্ডগুলো বর্তমানে পর্যাপ্ত কাজ না থাকার কারণে পিছিয়ে নেই। বরং ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ জাহাজগুলোর নির্মাণ সময়সূচিও ঠিকমতো ধরে রাখতে পারছে না অনেক শিপইয়ার্ড।

চীনের সঙ্গে নৌ প্রতিযোগিতায় চাপ

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে চীনের দ্রুত নৌবহর সম্প্রসারণের কারণে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ৪৩৫-এ পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর ৩৮১টি জাহাজে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে, তাও এক দশকের বেশি সময় পরে।

এই ব্যবধানের কারণে সমর্থকদের মতে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শিপইয়ার্ডের ওপর নির্ভর করে দ্রুত নৌবহর বাড়ানো কঠিন হতে পারে।

ফিনল্যান্ড মডেলের পক্ষে যুক্তি হলো, বিদেশি প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও নতুন অবকাঠামো, সরবরাহ ব্যবস্থা ও দক্ষ কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব। ফলে বিদেশি সহযোগিতা ও দেশীয় কর্মসংস্থান—দুই লক্ষ্যই একসঙ্গে পূরণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ফিনল্যান্ডের মডেল কেন নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র?

যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ফিনল্যান্ডের মডেল কেন নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র?

Update Time : ১২:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর দ্রুত সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় এবার ফিনল্যান্ডের জাহাজ নির্মাণ মডেল ব্যবহারের প্রস্তাব সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘Rebuilding the United States Navy and America’s Shipbuilding Industrial Base’ শীর্ষক একটি স্মারকে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ নির্মাণে এই মডেল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধের জন্য সারফেস শিপ, পণ্য ও সরঞ্জাম পরিবহনের ট্যাংকার এবং রোল-অন/রোল-অফ জাহাজ নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ICEPact থেকে ফিনল্যান্ড মডেলের ধারণা

এই মডেলের ভিত্তি হলো Icebreaker Collaboration Agreement বা ICEPact। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে করা এই চুক্তির লক্ষ্য তিন দেশের আইসব্রেকার বহর আধুনিক করা।

চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড ফিনল্যান্ড থেকে চারটি আইসব্রেকার সংগ্রহ করবে। পাশাপাশি আরও সাতটি আইসব্রেকার যুক্তরাষ্ট্রের শিপইয়ার্ডে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে পুরোনো আইসব্রেকারগুলো তুলনামূলক দ্রুত প্রতিস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।

ফিনল্যান্ডের Sata Shipbuilding ইয়ার্ডে প্রথম Arctic Security Cutter-এর নির্মাণ কাজ জুনে শুরু হয়েছে। একই নকশার আরেকটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার Bollinger Shipyard-এ ফিনল্যান্ডের Rauma Marine Constructions-এর সহযোগিতায় নির্মাণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  উত্তেজনার মধ্যেও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখার বার্তা আরএসএসের

বিদেশি প্রযুক্তি, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান

ফিনল্যান্ড মডেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিদেশি শিপইয়ার্ড শুধু বিদেশে জাহাজ তৈরি করবে না; যুক্তরাষ্ট্রেও তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি তৈরি করতে হবে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদেশি নির্মাতাদের যুক্তরাষ্ট্রে শিপইয়ার্ড তৈরি, মার্কিন কর্মী নিয়োগ এবং নিজেদের জাহাজ নির্মাণ প্রযুক্তি ও কৌশল মার্কিন শিপইয়ার্ডের সঙ্গে লাইসেন্সের মাধ্যমে ভাগ করে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত জাহাজের জন্য দেশীয় সরবরাহ ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

দ্রুত জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি দক্ষ কর্মী

সমর্থকদের মতে, এই মডেল যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত নৌবহরের আকার বাড়ানোর সুযোগ দিতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে দেশটির জাহাজ নির্মাণ শিল্পে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দক্ষ কর্মী তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  বিশ্ব বাণিজ্যে ধাক্কা! হরমুজ প্রণালি বন্ধে অনড় ইরান, বাড়ছে তেল সংকটের শঙ্কা

জাহাজ নির্মাণে ওয়েল্ডার, পাইপফিটার, ইলেকট্রিশিয়ান, নৌ-স্থপতি, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, প্রপালশন বিশেষজ্ঞ এবং শিপইয়ার্ড সুপারভাইজারের মতো দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হয়। ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে নতুন মার্কিন কর্মী তৈরি হতে পারে।

তবে কংগ্রেসে প্রবল আপত্তি

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের একাংশের বিরোধিতা। মেইনের প্রতিনিধি জ্যারেড গোল্ডেন ২০২৭ অর্থবছরের National Defense Authorization Act-এ এমন একটি সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছেন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কোনো শিপইয়ার্ডে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে ২০২৭ সালের অর্থ ব্যবহার বন্ধ করা হতে পারে।

তার যুক্তি, বিদেশে জাহাজ নির্মাণের ফলে মার্কিন শিপইয়ার্ডের কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্যান্য জাহাজ নির্মাণকারী অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিরাও এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

তবে ফিনল্যান্ড মডেলের সমর্থকদের পাল্টা যুক্তি হলো, মার্কিন শিপইয়ার্ডগুলো বর্তমানে পর্যাপ্ত কাজ না থাকার কারণে পিছিয়ে নেই। বরং ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ জাহাজগুলোর নির্মাণ সময়সূচিও ঠিকমতো ধরে রাখতে পারছে না অনেক শিপইয়ার্ড।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের কঠোর শর্ত: ইসরায়েল স্বীকৃতি না দিলে সৌদির পরমাণু চুক্তি বাতিল

চীনের সঙ্গে নৌ প্রতিযোগিতায় চাপ

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে চীনের দ্রুত নৌবহর সম্প্রসারণের কারণে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ৪৩৫-এ পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর ৩৮১টি জাহাজে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে, তাও এক দশকের বেশি সময় পরে।

এই ব্যবধানের কারণে সমর্থকদের মতে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শিপইয়ার্ডের ওপর নির্ভর করে দ্রুত নৌবহর বাড়ানো কঠিন হতে পারে।

ফিনল্যান্ড মডেলের পক্ষে যুক্তি হলো, বিদেশি প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও নতুন অবকাঠামো, সরবরাহ ব্যবস্থা ও দক্ষ কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব। ফলে বিদেশি সহযোগিতা ও দেশীয় কর্মসংস্থান—দুই লক্ষ্যই একসঙ্গে পূরণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।