ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য না দেওয়ায় চিকিৎসকের সাজা, জানুন কারণ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:২৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৪

আদালতের সমন উপেক্ষা করায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সাজা। ছবি: সংগৃহীত

ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দিতে বারবার সমন জারি করা হলেও আদালতে হাজির না হওয়ায় জামালপুরে এক চিকিৎসককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলার মেডিকেল পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম। তিনি মামলার মেডিকেল রিপোর্ট আদালতে জমা দিলেও সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য একাধিকবার সমন জারি করা হলেও নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত হননি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, আদালত চিকিৎসককে একাধিকবার সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেন। এমনকি সর্বশেষ হাজির না হওয়ায় তার কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশও পাঠানো হয়েছিল। এরপরও বুধবার আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী চিকিৎসককে ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সাক্ষীদের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মেডিকেল সাক্ষ্য অনেক ফৌজদারি মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

মামলার বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী, আটজন আসামির মধ্যে একজন কারাগারে রয়েছেন এবং অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের সমন উপেক্ষা করলে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাই আদালতের নির্দেশ যথাসময়ে অনুসরণ করা সংশ্লিষ্ট সবার আইনগত দায়িত্ব।

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য না দেওয়ায় চিকিৎসকের সাজা, জানুন কারণ

Update Time : ০৩:২৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দিতে বারবার সমন জারি করা হলেও আদালতে হাজির না হওয়ায় জামালপুরে এক চিকিৎসককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলার মেডিকেল পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম। তিনি মামলার মেডিকেল রিপোর্ট আদালতে জমা দিলেও সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য একাধিকবার সমন জারি করা হলেও নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত হননি।

আরও পড়ুন  গাঁজাসহ আটক স্বামী: কারাগারে সাক্ষাতে নতুন তথ্য

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, আদালত চিকিৎসককে একাধিকবার সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেন। এমনকি সর্বশেষ হাজির না হওয়ায় তার কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশও পাঠানো হয়েছিল। এরপরও বুধবার আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী চিকিৎসককে ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সাক্ষীদের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মেডিকেল সাক্ষ্য অনেক ফৌজদারি মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

আরও পড়ুন  কুষ্টিয়ায় বিদ্যালয়ে অচেতন ছাত্রী উদ্ধার, ধর্ষণের আলামত

মামলার বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী, আটজন আসামির মধ্যে একজন কারাগারে রয়েছেন এবং অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের সমন উপেক্ষা করলে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাই আদালতের নির্দেশ যথাসময়ে অনুসরণ করা সংশ্লিষ্ট সবার আইনগত দায়িত্ব।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় নারীদের হয়রানির অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে কঠোর রায়