ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০ হাজার ছাড়াল দেশে Logo নাঈম হাসানকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা: তদন্ত দাবিতে এবি পার্টির উদ্বেগ Logo রোনালদোর জবাবেই থামল বিতর্ক, বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসী Logo প্রিমিয়ার লিগে নতুন নিয়ম: চুল টানলেই আর লাল কার্ড নয় Logo সৈয়দ আব্দুল হাদীকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, দেশপ্রেমের আহ্বানে আবেগঘন সন্ধ্যা Logo মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ, নেইমার ছাড়াই চমক Logo বিশ্বকাপে ভিএআরের নতুন ইতিহাস, ‘ভুল পরিচয়’ শনাক্তে নজির Logo ভিনিসিয়ুসের হুঁশিয়ারি: বিশ্বকাপ জিততেই এসেছে ব্রাজিল Logo পার্ট-টাইম চাকরি: পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের ৫ জনপ্রিয় উপায় Logo টাকা সঞ্চয়ের টিপস: পকেট খালি হলেও গড়ুন সঞ্চয়ের অভ্যাস

বাংলাদেশসহ ১০ দেশে দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষুধার্ত মানুষের বাস , ২০২৬ হবে ‘আরও ভয়াবহ’

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৫:১৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩১

বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষুধার্ত মানুষ মাত্র ১০টি দেশে বাস করে, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।ছবি- সংগ্রহীত

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় ভোগা মানুষের বড় একটি অংশ মাত্র কয়েকটি দেশে কেন্দ্রীভূত—যার মধ্যে Bangladesh-ও রয়েছে।

Global Report on Food Crises-এ প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের ৪৭টি দেশে প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়েছে। এই সংখ্যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষুধায় ভোগা মানুষের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশে বাস করে। দেশগুলো হলো— আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেন।

এর মধ্যে সুদান, নাইজেরিয়া ও কঙ্গোতেই রয়েছে মোট ক্ষুধার্ত মানুষের এক-তৃতীয়াংশ। তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ও সিরিয়ার পরিস্থিতিতে কিছু উন্নতির ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম একই বছরে গাজা এবং সুদানের কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে—যা বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলমান যুদ্ধ ও সংঘাত খাদ্য সংকটের প্রধান কারণ। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এ সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।

বিশেষ করে Strait of Hormuz এলাকায় অস্থিরতা জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে, যার ফলে সারের দাম বাড়ছে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

International Fund for Agricultural Development-এর প্রধান Alvaro Lario জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তা এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে সার উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নে পদক্ষেপ না নিলে খাদ্য সংকট আরও গভীর হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০ হাজার ছাড়াল দেশে

বাংলাদেশসহ ১০ দেশে দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষুধার্ত মানুষের বাস , ২০২৬ হবে ‘আরও ভয়াবহ’

Update Time : ০৫:১৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় ভোগা মানুষের বড় একটি অংশ মাত্র কয়েকটি দেশে কেন্দ্রীভূত—যার মধ্যে Bangladesh-ও রয়েছে।

Global Report on Food Crises-এ প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের ৪৭টি দেশে প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়েছে। এই সংখ্যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষুধায় ভোগা মানুষের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশে বাস করে। দেশগুলো হলো— আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেন।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পুতিনের

এর মধ্যে সুদান, নাইজেরিয়া ও কঙ্গোতেই রয়েছে মোট ক্ষুধার্ত মানুষের এক-তৃতীয়াংশ। তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ও সিরিয়ার পরিস্থিতিতে কিছু উন্নতির ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক দশকের মধ্যে এবারই প্রথম একই বছরে গাজা এবং সুদানের কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে—যা বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।

আরও পড়ুন  বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকৃতি দিল জাতিসংঘ

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলমান যুদ্ধ ও সংঘাত খাদ্য সংকটের প্রধান কারণ। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এ সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।

বিশেষ করে Strait of Hormuz এলাকায় অস্থিরতা জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলছে, যার ফলে সারের দাম বাড়ছে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি: আড়াই শতাধিক প্রাণহানির শঙ্কা

International Fund for Agricultural Development-এর প্রধান Alvaro Lario জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তা এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে সার উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নে পদক্ষেপ না নিলে খাদ্য সংকট আরও গভীর হতে পারে।