ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ২৩৫—বাঁচার আকুতি এখনো

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৫০৩

ভেনেজুয়েলার ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের উদ্ধারে দিনরাত কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি: সংগৃহীত।

ভেনেজুয়েলায় কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি মানুষ। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনো বহু মানুষ আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে দিনরাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

রাজধানী কারাকাস ও উপকূলীয় শহর লা গুয়ারাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে। বহু বহুতল ভবন, আবাসিক ভবন ও হোটেল ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটকে পড়া মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গত বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুটি ভূমিকম্পই ভূপৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। অসংখ্য পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পুনরায় প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছেন বাসিন্দারা। ফলে আশ্রয়কেন্দ্র ও উন্মুক্ত স্থানে ভিড় বাড়ছে।

সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বিপর্যয়ের সময় অনেক মানুষ বাড়িতে কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ওই দিন দেশটিতে সেন্ট জন দ্য ব্যাপটিস্ট দিবস এবং স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের স্মরণে বিভিন্ন আয়োজন চলছিল। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

হোর্হে রদ্রিগেজের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ২৫০টি ভবন আংশিক বা পুরোপুরি ধসে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় শহর লা গুয়ারা। সেখানে একটি ১০ তলা হোটেল সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

লা গুয়ারার বাসিন্দা হুয়ান অর্তিজ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু নিহত হয়েছেন। আরেক বন্ধু এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর পরিচিত প্রায় ২০ জনের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

রাজধানী কারাকাসের মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অর্তিজ বলেন, পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে। তিনি জানান, সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে না পারার কারণে। স্থানীয়দের ভাষ্য, শহরের বিভিন্ন এলাকায় এখনো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কারাকাস ছাড়াও ত্রুহিয়ো, ইয়ারাকুই, কারাবোবো, আরাগুয়া ও মিরান্দা অঙ্গরাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। রাজধানীর চাকাও পৌরসভার মেয়র গুস্তাভো দুকে জানিয়েছেন, একটি ধসে পড়া ভবন থেকে এ পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই ভবন থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও ২৩ জনকে।

মেয়র জানান, ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দলকে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের বিশ্বাস, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক মানুষ জীবিত অবস্থায় আটকে থাকতে পারেন। তাই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার তৎপরতা।

রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত মাইকেতিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে টার্মিনালের ছাদ থেকে ধুলা ও ধ্বংসাবশেষ ঝরে পড়তে দেখা গেছে।

মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত ৩০টি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। এতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। ইউএসজিএস সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ দুর্যোগে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রায় ৪২ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলা দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ভূত্বকের চাপ হঠাৎ মুক্ত হয়ে যাওয়ায় এ শক্তিশালী ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একাধিক বড় ভূমিকম্প এবং পরাঘাত হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দেশটির চলমান অর্থনৈতিক সংকট উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর ও কাতার ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ১৫ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা ঘোষণা করেছে। উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা সহায়তা, পরিবহন জাহাজ ও উড়োজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ২৩৫—বাঁচার আকুতি এখনো

Update Time : ১২:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি মানুষ। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনো বহু মানুষ আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে দিনরাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

রাজধানী কারাকাস ও উপকূলীয় শহর লা গুয়ারাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে। বহু বহুতল ভবন, আবাসিক ভবন ও হোটেল ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটকে পড়া মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গত বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুটি ভূমিকম্পই ভূপৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। অসংখ্য পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পুনরায় প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছেন বাসিন্দারা। ফলে আশ্রয়কেন্দ্র ও উন্মুক্ত স্থানে ভিড় বাড়ছে।

আরও পড়ুন  সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, শেষ হচ্ছে যুদ্ধের অধ্যায়

সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বিপর্যয়ের সময় অনেক মানুষ বাড়িতে কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ওই দিন দেশটিতে সেন্ট জন দ্য ব্যাপটিস্ট দিবস এবং স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের স্মরণে বিভিন্ন আয়োজন চলছিল। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

হোর্হে রদ্রিগেজের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ২৫০টি ভবন আংশিক বা পুরোপুরি ধসে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় শহর লা গুয়ারা। সেখানে একটি ১০ তলা হোটেল সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

লা গুয়ারার বাসিন্দা হুয়ান অর্তিজ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু নিহত হয়েছেন। আরেক বন্ধু এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর পরিচিত প্রায় ২০ জনের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  ডা. শফিকুর রহমান জাপান সফর | এক সপ্তাহের জাপান সফরে জামায়াত আমির

রাজধানী কারাকাসের মেডিক্যাল শিক্ষার্থী অর্তিজ বলেন, পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে। তিনি জানান, সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে না পারার কারণে। স্থানীয়দের ভাষ্য, শহরের বিভিন্ন এলাকায় এখনো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কারাকাস ছাড়াও ত্রুহিয়ো, ইয়ারাকুই, কারাবোবো, আরাগুয়া ও মিরান্দা অঙ্গরাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। রাজধানীর চাকাও পৌরসভার মেয়র গুস্তাভো দুকে জানিয়েছেন, একটি ধসে পড়া ভবন থেকে এ পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই ভবন থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও ২৩ জনকে।

মেয়র জানান, ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দলকে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের বিশ্বাস, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক মানুষ জীবিত অবস্থায় আটকে থাকতে পারেন। তাই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার তৎপরতা।

রাজধানীর উপকণ্ঠে অবস্থিত মাইকেতিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে টার্মিনালের ছাদ থেকে ধুলা ও ধ্বংসাবশেষ ঝরে পড়তে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  নিউইয়র্কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, তিন বাংলাদেশিসহ নিহত ৪

মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত ৩০টি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। এতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। ইউএসজিএস সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ দুর্যোগে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রায় ৪২ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলা দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ভূত্বকের চাপ হঠাৎ মুক্ত হয়ে যাওয়ায় এ শক্তিশালী ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একাধিক বড় ভূমিকম্প এবং পরাঘাত হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দেশটির চলমান অর্থনৈতিক সংকট উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর ও কাতার ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ১৫ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা ঘোষণা করেছে। উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা সহায়তা, পরিবহন জাহাজ ও উড়োজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।