ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার? Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস Logo সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Logo ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরলেন: চিকিৎসা শেষে সুখবর, জানালেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা Logo নিষিদ্ধ সংগঠন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমানের সহযোগী চন্দনাইশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বর্তমানে সক্রিয় ২ কর্মী গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও Logo ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার: দুর্গন্ধ দূর করার ৭টি সহজ উপায়

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:২৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ৫৬১

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের সতর্কবার্তা। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, কটূক্তি কিংবা অপপ্রচারমূলক পোস্ট না করেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশনায় অধিদপ্তর জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য জরুরি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন এবং কখনো কখনো সেসব পোস্ট শেয়ারও করছেন। এসব পোস্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, এমন কার্যক্রম সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রণীত সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন, তবে তা করতে হবে দায়িত্বশীল ও পেশাদার আচরণ বজায় রেখে। এমন কোনো মন্তব্য, ছবি বা তথ্য প্রকাশ করা যাবে না যা সরকারি নীতি বা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষক যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি, অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন, তাহলে তা সরকারি চাকরির বিধি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের আচরণ অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন, তাদের চিহ্নিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষকরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের আচরণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা প্রয়োজন। সচেতন ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিক্ষার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা

Update Time : ০৯:২৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, কটূক্তি কিংবা অপপ্রচারমূলক পোস্ট না করেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশনায় অধিদপ্তর জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য জরুরি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন এবং কখনো কখনো সেসব পোস্ট শেয়ারও করছেন। এসব পোস্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, এমন কার্যক্রম সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন  বড় আপডেট: কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নিয়ে নতুন বিতর্ক

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রণীত সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন, তবে তা করতে হবে দায়িত্বশীল ও পেশাদার আচরণ বজায় রেখে। এমন কোনো মন্তব্য, ছবি বা তথ্য প্রকাশ করা যাবে না যা সরকারি নীতি বা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ ইংল্যান্ড টেস্ট ২০২৭: দুর্দান্ত সুখবর, লর্ডসে খেলবে টাইগাররা

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষক যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি, অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন, তাহলে তা সরকারি চাকরির বিধি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের আচরণ অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন, তাদের চিহ্নিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  এআই ভাইভা পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে নতুন পরিকল্পনা

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষকরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের আচরণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা প্রয়োজন। সচেতন ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিক্ষার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।