শিশু ডিহাইড্রেশন বলতে বোঝায় শরীরে প্রয়োজনীয় পানি ও লবণের ঘাটতি। ছোট শিশুদের শরীরে পানি দ্রুত কমে যেতে পারে, তাই এটি দ্রুত বিপজ্জনক অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুর শরীর বড়দের তুলনায় দ্রুত পানিশূন্য হয়ে যায়। তাই অভিভাবকদের বিষয়টি খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হয়।
শিশু ডিহাইড্রেশন বোঝার জন্য কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে।
- মুখ ও ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া
- কান্নার সময় চোখে পানি না থাকা
- প্রস্রাব কমে যাওয়া
- অতিরিক্ত দুর্বলতা বা ঘুম ঘুম ভাব
- চোখ বসে যাওয়া
এই লক্ষণগুলো দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিশু ডিহাইড্রেশন সাধারণত কয়েকটি কারণে হয়।
- ডায়রিয়া বা বমি
- জ্বর
- পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া
- অতিরিক্ত ঘাম
- সংক্রমণজনিত অসুস্থতা
গরম আবহাওয়ায় এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়।
শিশু ডিহাইড্রেশন হলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
- ORS সলিউশন খাওয়ানো
- বারবার অল্প অল্প পানি দেওয়া
- বুকের দুধ খাওয়ানো শিশু হলে তা চালিয়ে যাওয়া
- গুরুতর হলে হাসপাতালে নেওয়া
চিকিৎসকরা বলেন, দেরি হলে অবস্থা জটিল হতে পারে।
শিশু ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করা সম্ভব কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে।
- নিয়মিত পানি খাওয়ানো
- গরমে বাইরে কম বের হওয়া
- পরিষ্কার খাবার দেওয়া
- অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া
এগুলো মানলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) শিশুদের ডিহাইড্রেশনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। হার্ভার্ড টিএইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ (Harvard T.H. Chan School of Public Health) বলেছে, শিশুদের শরীরে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।























