ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিসের সেবাচিত্র Logo ইমরান খান নিয়ে আশরাফুলের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo আমরা বাংলাদেশকে খুব ভালোবাসি : কাভান সুলিভান Logo বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপালের পাশে বাংলাদেশ, দিল ১০ লাখ ডলার Logo ১০০ কিলোমিটার দৌড়ে বোলিং, অবিশ্বাস্য কীর্তি স্যামের Logo পুরোনো মালিকানায় ফেরার সুযোগ বন্ধে ব্যাংক আইন সংশোধনের প্রস্তাব Logo ‘হারপিকটা নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’, হাসপাতালের বাথরুম দেখে কৃষিমন্ত্রী Logo এআইইউবি প্রতিষ্ঠাতা ডা. আনোয়ারুল আবেদীনের মৃত্যুবার্ষিকী ৫ সেপ্টেম্বর Logo মার্কিন অস্ত্রের মজুদ নিয়ে সতর্ক করলেন ট্রাম্প Logo সাইবার বুলিংয়ের মামলায় কথিত সাংবাদিক মাসুদ রানা গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহে ছাত্রদল নেতাসহ ৩ জন কারাগারে

হালুয়াঘাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার ও সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাদকবিরোধী একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আরও দুই সহযোগীসহ ইয়াবায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে শরীরে মাদকের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

রোববার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার পরবর্তী সাজা ঘোষণা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ। রায়ে উত্তর জেলা ছাত্রদলের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একই সাথে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এর আগে শনিবার রাতে হালুয়াঘাট থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উত্তর বাজার, মধ্য বাজার এবং পূর্ব গোবরাকুড়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। এই চিরুনি অভিযানের সময়ই মাদক গ্রহণ করা অবস্থায় ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার হন। তার সাথে থাকা আরিফুল ইসলাম আকাশ ও নবী হোসেন নামের অপর দুই মাদকসেবীকেও আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া মেনে তাদের সকলের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছিল। পরীক্ষায় প্রত্যেকের মাদক সেবনের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। আদালত অপর দুই আসামির প্রত্যেককে ৬ মাস করে কারাদণ্ড এবং নগদ ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। বিশেষ অভিযানে ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি এরই অংশ। এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের কড়া মাদকবিরোধী অভিযান আগামীতেও নিয়মিত অব্যাহত রাখা হবে।

এদিকে দলীয় নেতার এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো এবং সাজা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মনোয়ার আল আমিন দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার ও সাজার পুরো বিষয়টি নিয়ে দলীয় ফোরামে বিস্তারিত আলোচনা চলছে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী খুব শীঘ্রই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিসের সেবাচিত্র

ময়মনসিংহে ছাত্রদল নেতাসহ ৩ জন কারাগারে

Update Time : ০৭:৫২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার ও সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাদকবিরোধী একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আরও দুই সহযোগীসহ ইয়াবায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে শরীরে মাদকের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

রোববার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার পরবর্তী সাজা ঘোষণা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ। রায়ে উত্তর জেলা ছাত্রদলের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একই সাথে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

এর আগে শনিবার রাতে হালুয়াঘাট থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উত্তর বাজার, মধ্য বাজার এবং পূর্ব গোবরাকুড়া এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। এই চিরুনি অভিযানের সময়ই মাদক গ্রহণ করা অবস্থায় ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার হন। তার সাথে থাকা আরিফুল ইসলাম আকাশ ও নবী হোসেন নামের অপর দুই মাদকসেবীকেও আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া মেনে তাদের সকলের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছিল। পরীক্ষায় প্রত্যেকের মাদক সেবনের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। আদালত অপর দুই আসামির প্রত্যেককে ৬ মাস করে কারাদণ্ড এবং নগদ ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  কে হবেন বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি?

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। বিশেষ অভিযানে ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি এরই অংশ। এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের কড়া মাদকবিরোধী অভিযান আগামীতেও নিয়মিত অব্যাহত রাখা হবে।

এদিকে দলীয় নেতার এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো এবং সাজা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মনোয়ার আল আমিন দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ছাত্রদল নেতা আনিসুর রহমান গ্রেপ্তার ও সাজার পুরো বিষয়টি নিয়ে দলীয় ফোরামে বিস্তারিত আলোচনা চলছে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী খুব শীঘ্রই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  টেলিকম ডাটা সাইবার বিল নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা