বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে নতুন মাত্রা যোগ করতে রাজধানী ঢাকায় আজ রোববার রাতে থাকছে বিশেষ কনসার্ট ও বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন। দুটি আলাদা অনুষ্ঠানে দর্শকদের মাতাতে মঞ্চে উঠবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক ডিজে ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান। সঞ্জয় দেব বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে আয়োজিত ‘শাহ সিমেন্ট ফ্যান ফেস্ট ২.০’-এ পারফর্ম করবেন। অন্যদিকে, প্রীতম হাসান মঞ্চে উঠবেন রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘ফাইনাল কিকঅফ’ অনুষ্ঠানে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন সঞ্জয় দেব। কানাডায় আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করেন তিনি। এরপর বিশ্বকাপ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত ফ্যান ফেস্টেও অংশ নিয়ে সংগীত পরিবেশন করেন এই শিল্পী।
আন্তর্জাতিক সেই সফরের ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকার দর্শকদের সামনে পারফর্ম করতে এসেছেন সঞ্জয় দেব। ইতোমধ্যে তিনি রাজধানীতে পৌঁছে অনুষ্ঠানস্থল ঘুরে দেখেছেন। আয়োজনে অংশ নিতে পেরে নিজের উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছেন তিনি।সঞ্জয় দেব বলেন, বিশ্বকাপ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে গান গাওয়ার সুযোগ হয়েছে তাঁর। তবে ঢাকায় পারফর্ম করা তাঁর কাছে আলাদা অনুভূতির, কারণ এই শহর থেকেই তাঁর সংগীতজীবনের পথচলা শুরু হয়েছিল। তাই দেশের দর্শকদের সামনে আবার গান গাইতে পেরে তিনি বেশ আনন্দিত।
এ আয়োজনে সঞ্জয় দেবের সঙ্গে পারফর্ম করবেন ডিজে তৃষা ও ডিজে রিশাদ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকার অনুষ্ঠান শেষ করেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে সানফ্রান্সিসকোতে নির্ধারিত আরেকটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
অন্যদিকে, রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ উপভোগের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য থাকবে লাইভ কনসার্টের বিশেষ আয়োজন। এই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চে উঠবেন প্রীতম হাসান। তাঁর সঙ্গে পারফর্ম করবেন ফিরোজ জং, দ্য ব্রাউন টেস্টামেন্ট এবং জেসিয়া ইসলাম।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই রাত থেকে ২০ জুলাই সকাল পর্যন্ত চলবে পুরো আয়োজন। বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতি আসরেই ফুটবলপ্রেমীদের ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। সেই উচ্ছ্বাসকে আরও রঙিন করে তুলতেই খেলা ও সংগীতকে একসঙ্গে উপভোগের সুযোগ তৈরি করেছে আয়োজকেরা। ফলে মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি বিনোদনের আমেজও কাটবে বিশ্বকাপ ফাইনালের রাত।





























