ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি Logo ৬৪ দলের বিশ্বকাপ, কতটা সম্ভব ফিফার নতুন পরিকল্পনা Logo ছাত্রাবাসে ধর্ষণ অভিযোগ: ৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ Logo প্লাস্টিকের ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফি? কুকুরেয়ার ভিডিওর আসল রহস্য Logo হুতিদের নৌ অবরোধ ঘোষণা: সৌদির জন্য বড় হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা Logo ধূমপান ছাড়ার ৪ সহজ উপায়, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo চরমোনাই পীরের কড়া বার্তা: ইসলামের নামে একাধিক দল নিয়ে প্রশ্ন Logo ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস, এক রাতেই ফলোয়ারে চমক Logo এআই প্রযুক্তিতে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ: ৭ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা Logo ঘুম না এলে রাতে করুন এই ৭ ব্যায়াম, মিলবে স্বস্তির ঘুম

এআইইউবি ও বিআইজিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

এআইইউবি ও বিআইজিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত।ছবি: সংগৃহীত

এআইইউবি বিআইজিএফ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দেশে ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উদীয়মান ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও নীতিগত সংলাপের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম (বিআইজিএফ) এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার এআইইউবি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন এআইইউবির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে এবং বিআইজিএফের পক্ষে মোহাম্মদ আবদুল হক।

এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে গবেষণা, নীতি প্রণয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।

সমঝোতা অনুযায়ী দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে—

  1. ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স বিষয়ক গবেষণায়
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে নীতিগত সংলাপে
  3. উদীয়মান ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান বিনিময়ে
  4. প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন
  5. জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
  6. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি
  7. ডিজিটাল নীতি ও প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা প্রকাশ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই সমঝোতা স্মারক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

তার মতে, ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল নীতির মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সময়ের দাবি।

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য সুরক্ষা, ডিজিটাল অধিকার, অনলাইন নিরাপত্তা এবং ইন্টারনেট নীতিমালা নিয়ে আলোচনা দ্রুত বাড়ছে।

বাংলাদেশেও এসব বিষয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং গবেষণার পরিধি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় ও নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন সহযোগিতা—

  1. গবেষণার মান উন্নত করবে
  2. শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেবে
  3. ডিজিটাল নীতি প্রণয়নে একাডেমিয়ার অংশগ্রহণ বাড়াবে
  4. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে

অনুষ্ঠানে বিআইজিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, অধিকারভিত্তিক ও টেকসই ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার, বেসরকারি খাত, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স আলোচনায় আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই সমঝোতার আওতায় শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্যভাবে যেসব সুযোগ পাবেন—

  1. গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণ
  2. এআই ও ডিজিটাল নীতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ
  3. বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়
  4. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সুযোগ
  5. ইন্টার্নশিপ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম
  6. নীতিগত গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

  1. এআইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান
  2. সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ. জে. এম. শফিউল আলম ভূঁইয়া
  3. কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম
  4. সহযোগী ডিন ড. ফারিয়া সুলতানা
  5. সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ
  6. বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরামের প্রতিনিধিরা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তিনীতিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের ডিজিটাল দক্ষতা, গবেষণা সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স এবং ডিজিটাল নীতিতে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি

এআইইউবি ও বিআইজিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

Update Time : ০৯:২০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

এআইইউবি বিআইজিএফ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দেশে ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উদীয়মান ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও নীতিগত সংলাপের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম (বিআইজিএফ) এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার এআইইউবি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন এআইইউবির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে এবং বিআইজিএফের পক্ষে মোহাম্মদ আবদুল হক।

এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে গবেষণা, নীতি প্রণয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।

সমঝোতা অনুযায়ী দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে—

  1. ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স বিষয়ক গবেষণায়
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে নীতিগত সংলাপে
  3. উদীয়মান ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান বিনিময়ে
  4. প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন
  5. জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
  6. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি
  7. ডিজিটাল নীতি ও প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা প্রকাশ
আরও পড়ুন  বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত: কারণ জানাল মার্কিন দূতাবাস

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই সমঝোতা স্মারক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

তার মতে, ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল নীতির মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সময়ের দাবি।

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য সুরক্ষা, ডিজিটাল অধিকার, অনলাইন নিরাপত্তা এবং ইন্টারনেট নীতিমালা নিয়ে আলোচনা দ্রুত বাড়ছে।

বাংলাদেশেও এসব বিষয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং গবেষণার পরিধি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে OIC-এর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় ও নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন সহযোগিতা—

  1. গবেষণার মান উন্নত করবে
  2. শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেবে
  3. ডিজিটাল নীতি প্রণয়নে একাডেমিয়ার অংশগ্রহণ বাড়াবে
  4. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে

অনুষ্ঠানে বিআইজিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, অধিকারভিত্তিক ও টেকসই ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার, বেসরকারি খাত, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স আলোচনায় আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই সমঝোতার আওতায় শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্যভাবে যেসব সুযোগ পাবেন—

  1. গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণ
  2. এআই ও ডিজিটাল নীতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ
  3. বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়
  4. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সুযোগ
  5. ইন্টার্নশিপ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম
  6. নীতিগত গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ
আরও পড়ুন  বিশ্বকাপে রোবট কুকুর, কী পারে চার পায়ের এই প্রযুক্তি

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

  1. এআইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান
  2. সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ. জে. এম. শফিউল আলম ভূঁইয়া
  3. কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম
  4. সহযোগী ডিন ড. ফারিয়া সুলতানা
  5. সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ
  6. বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরামের প্রতিনিধিরা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তিনীতিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের ডিজিটাল দক্ষতা, গবেষণা সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স এবং ডিজিটাল নীতিতে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।