ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চন্দনাইশে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ: খুনিয়া পাড়ায় ভেঙে পড়া রিটেইনিং ওয়াল, বর্ষায় পথ যেন জলাভূমি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪২

বর্ষায় মাঠের ভাঙা অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়।

চন্দনাইশ প্রতিনিধির প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খুনিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ এখন আর নিরাপদ নেই। যে মাঠে শিশুরা প্রতিদিন খেলাধুলা করে, সেই মাঠের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশ পুকুরে ভেঙে পড়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে এই অংশ পুরোপুরি পানিতে ডুবে যায়, আর গ্রীষ্মকালে সেখানে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত, যা চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জনদুর্ভোগ
খুনিয়া পাড়া জামে মসজিদের পাশের সড়ক ও পুকুরপাড়ে ভাঙনের কারণে বাড়ছে জনদুর্ভোগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ পুকুরের সঙ্গে মিশে গিয়ে মারাত্মক ভাঙনের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বর্ষায় পানি বেড়ে গেলে মাঠের ভাঙা অংশ পুরোপুরি ডুবে যায়, ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা তো দূরের কথা, স্বাভাবিকভাবে চলাচলও করতে পারে না।

অন্যদিকে, গ্রীষ্ম মৌসুমে পানি কমে গেলে ওই জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। এসব গর্তে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা বলছেন, “বাচ্চারা খেলতে গিয়ে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।”

এছাড়াও পুকুরের পশ্চিম পাড় ও অবস্থাও অত্যন্ত বেহাল। যে রাস্তা দিয়ে শত শত ছাত্র ছাত্রী সহ বিশাল জনপদের একমাত্র রাস্তা। দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার বা রিটেইনিং ওয়াল না থাকায় ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে। ফলে প্রতিনিয়ত মাঠের আয়তন কমে যাচ্ছে এবং ঝুঁকি বাড়ছে।

খুনিয়ার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের ভাঙন
বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ পুকুরে ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত পুকুরের পাড় সংস্কার ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ শুধু খেলাধুলার জায়গা নয়, এটি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। তাই দ্রুত সংস্কার কাজ না হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আরও বড় হুমকির মুখে পড়বে এমনটাই আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাজাখস্তানকে হারিয়ে চমক, কাভা চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের জয়

চন্দনাইশে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ: খুনিয়া পাড়ায় ভেঙে পড়া রিটেইনিং ওয়াল, বর্ষায় পথ যেন জলাভূমি

Update Time : ০৬:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

চন্দনাইশ প্রতিনিধির প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খুনিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ এখন আর নিরাপদ নেই। যে মাঠে শিশুরা প্রতিদিন খেলাধুলা করে, সেই মাঠের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশ পুকুরে ভেঙে পড়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে এই অংশ পুরোপুরি পানিতে ডুবে যায়, আর গ্রীষ্মকালে সেখানে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত, যা চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন  মাউশি বেতন ও ঈদ বোনাস বিল সাবমিট নির্দেশনা
জনদুর্ভোগ
খুনিয়া পাড়া জামে মসজিদের পাশের সড়ক ও পুকুরপাড়ে ভাঙনের কারণে বাড়ছে জনদুর্ভোগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ পুকুরের সঙ্গে মিশে গিয়ে মারাত্মক ভাঙনের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বর্ষায় পানি বেড়ে গেলে মাঠের ভাঙা অংশ পুরোপুরি ডুবে যায়, ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা তো দূরের কথা, স্বাভাবিকভাবে চলাচলও করতে পারে না।

অন্যদিকে, গ্রীষ্ম মৌসুমে পানি কমে গেলে ওই জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। এসব গর্তে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা বলছেন, “বাচ্চারা খেলতে গিয়ে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।”

আরও পড়ুন  চন্দনাইশে বন্যাদুর্গত রংমিস্ত্রিদের পাশে বাংলাদেশ রংমিস্ত্রি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ

এছাড়াও পুকুরের পশ্চিম পাড় ও অবস্থাও অত্যন্ত বেহাল। যে রাস্তা দিয়ে শত শত ছাত্র ছাত্রী সহ বিশাল জনপদের একমাত্র রাস্তা। দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার বা রিটেইনিং ওয়াল না থাকায় ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে। ফলে প্রতিনিয়ত মাঠের আয়তন কমে যাচ্ছে এবং ঝুঁকি বাড়ছে।

খুনিয়ার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের ভাঙন
বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ পুকুরে ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত পুকুরের পাড় সংস্কার ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন  শাহবাগে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার: ফ্ল্যাট থেকে ফারা ফোরদৌসের মরদেহ উদ্ধার

একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ শুধু খেলাধুলার জায়গা নয়, এটি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। তাই দ্রুত সংস্কার কাজ না হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আরও বড় হুমকির মুখে পড়বে এমনটাই আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।