প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দুর্ঘটনার পর নছিমনটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এর চালক ও যাত্রীরা ভেতরে আটকা পড়েন। স্থানীয়রা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা জানান, দুর্ঘটনার তীব্রতায় নছিমনের সামনের অংশ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে যায়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক নছিমনচালক মজনু ও যাত্রী দুলাল চন্দ্রকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে অতিরিক্ত গতি, অসতর্কতা বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য হাসাড়া–বাড়ৈখালী সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল শুরু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, লস্করপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তাদের দাবি, ওই সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, প্রয়োজনীয় ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




























