ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গর্বের সাফল্য: বাংলাদেশি গবেষক দলের কোডিং ফেস্ট ২০২৬ চ্যাম্পিয়ন অর্জন Logo জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ১৫ আমল Logo এবার ফিফার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান কনক্যাকাফের ৪১ দেশের Logo উত্তর কাঞ্চননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদকে বরণ, আন্তঃবিদ্যালয় বার্ষিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo জুমার দিনের আমল: বড় সওয়াবের এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না Logo অস্ট্রিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভর্তি, খরচ, স্কলারশিপ ও কাজের সুযোগ জানুন Logo গুঁড়া দুধ: স্বাস্থ্যকর নাকি ক্ষতিকর? জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo সাকিব আল হাসান: জাফনা কিংসের জয়ে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স Logo শিশুকে নামাজ শেখানো: রাসুল (সা.) কী নির্দেশ দিয়েছেন? Logo শিশুর চিনি খাওয়া কমালে মস্তিষ্ক ভালো থাকতে পারে, বলছে গবেষণা

এবার ফিফার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান কনক্যাকাফের ৪১ দেশের

ফিফার বিনিয়োগ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল কনক্যাকাফ

ফিফা সম্প্রতি একটি প্রস্তাব দেয়, যেখানে বিশ্বকাপ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক সম্পদের বিপরীতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়। এই তহবিল পরে FIFA Forward Programme-এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করার কথা বলা হয়।

উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা CONCACAF কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে—

  1. প্রস্তাবটি নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয়নি।
  2. সদস্য দেশগুলোকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।
  3. ফিফার বিদ্যমান পরিচালনা কাঠামো বা গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়নি।
  4. ইতিহাসের সবচেয়ে লাভজনক বিশ্বকাপ আয়োজনের পরও কেন বেসরকারি বিনিয়োগের প্রয়োজন হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
  5. ভবিষ্যতে ফিফার বাণিজ্যিক স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে UEFA একই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে। ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থাটি দাবি করে, ফিফার আয় ও সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের প্রভাব বাড়লে ফুটবলের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে বিশ্বকাপ বয়কটের ইঙ্গিতও দেয় তারা।

ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা (প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) সংগ্রহ করা হবে। এই অর্থ FIFA Forward Programme-এর আওতায় অবকাঠামো নির্মাণ, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নারী ফুটবল, যুব উন্নয়ন ও সদস্য দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশনকে আর্থিক সহায়তায় ব্যয় করার কথা বলা হয়েছে।

কনক্যাকাফের সদস্য সংখ্যা ৪১টি। এর মধ্যে রয়েছে—

  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. কোস্টারিকা
  5. জ্যামাইকা
  6. পানামা
  7. হন্ডুরাস
  8. এল সালভাদর
  9. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
  10. হাইতি
  11. কিউবাসহ উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ।

কনক্যাকাফ ও উয়েফার মতো দুটি শক্তিশালী কনফেডারেশন একই অবস্থান নেওয়ায় ফিফার প্রস্তাব বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশ্ব ফুটবলের বড় অংশের প্রতিনিধিত্বকারী এসব সদস্য সংস্থার সমর্থন ছাড়া প্রস্তাবটি অনুমোদন পাওয়া কঠিন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এছাড়া বিষয়টি ফিফার আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।

ফিফা আগামী বছরগুলোতে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন, নতুন অবকাঠামো নির্মাণ, নারী ফুটবল এবং বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। তবে এই পরিকল্পনায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টি শুরু থেকেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কয়েকটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ফিফার বাণিজ্যিক সম্পদে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে ফিফা এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির ঘোষণা দেয়নি।

অনেক ফুটবল ফেডারেশনের আশঙ্কা, একবার বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা যুক্ত হলে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে তাদের প্রভাব বাড়তে পারে। এতে ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি নীতিনির্ধারণে স্বাধীনতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর ফিফার আর্থিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিশ্বকাপ থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় এবং বড় অঙ্কের নগদ রিজার্ভ থাকায় অনেক সদস্য সংস্থা মনে করছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত বেসরকারি অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট নয়।

প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করা হলেও বিষয়টি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। ফিফা ভবিষ্যতে সদস্য কনফেডারেশনগুলোর মতামত নিয়ে সংশোধিত বা নতুন কোনো অর্থায়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত আলোচনা এবং ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ আয়োজন বা সূচিতে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বিরোধ কেবল অর্থায়নের নতুন মডেল নিয়ে। ফলে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও আয়োজন স্বাভাবিকভাবেই চলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ফিফার রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং সদস্য দেশগুলোর আস্থা বজায় রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, বড় ধরনের আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব কনফেডারেশনকে সম্পৃক্ত করা এবং বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।

আগামী কয়েক মাসে ফিফা কাউন্সিল ও বিভিন্ন মহাদেশীয় কনফেডারেশনের বৈঠকে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসতে পারে। সদস্য দেশগুলোর মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবে পরিবর্তন আনা হলে তবেই এটি অনুমোদনের পথে এগোতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গর্বের সাফল্য: বাংলাদেশি গবেষক দলের কোডিং ফেস্ট ২০২৬ চ্যাম্পিয়ন অর্জন

এবার ফিফার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান কনক্যাকাফের ৪১ দেশের

Update Time : ১২:১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ফিফা সম্প্রতি একটি প্রস্তাব দেয়, যেখানে বিশ্বকাপ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক সম্পদের বিপরীতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়। এই তহবিল পরে FIFA Forward Programme-এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করার কথা বলা হয়।

উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা CONCACAF কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে—

  1. প্রস্তাবটি নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয়নি।
  2. সদস্য দেশগুলোকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।
  3. ফিফার বিদ্যমান পরিচালনা কাঠামো বা গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়নি।
  4. ইতিহাসের সবচেয়ে লাভজনক বিশ্বকাপ আয়োজনের পরও কেন বেসরকারি বিনিয়োগের প্রয়োজন হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
  5. ভবিষ্যতে ফিফার বাণিজ্যিক স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে UEFA একই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে। ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থাটি দাবি করে, ফিফার আয় ও সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের প্রভাব বাড়লে ফুটবলের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে বিশ্বকাপ বয়কটের ইঙ্গিতও দেয় তারা।

ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা (প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) সংগ্রহ করা হবে। এই অর্থ FIFA Forward Programme-এর আওতায় অবকাঠামো নির্মাণ, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নারী ফুটবল, যুব উন্নয়ন ও সদস্য দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশনকে আর্থিক সহায়তায় ব্যয় করার কথা বলা হয়েছে।

কনক্যাকাফের সদস্য সংখ্যা ৪১টি। এর মধ্যে রয়েছে—

  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. কোস্টারিকা
  5. জ্যামাইকা
  6. পানামা
  7. হন্ডুরাস
  8. এল সালভাদর
  9. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
  10. হাইতি
  11. কিউবাসহ উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ।

কনক্যাকাফ ও উয়েফার মতো দুটি শক্তিশালী কনফেডারেশন একই অবস্থান নেওয়ায় ফিফার প্রস্তাব বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশ্ব ফুটবলের বড় অংশের প্রতিনিধিত্বকারী এসব সদস্য সংস্থার সমর্থন ছাড়া প্রস্তাবটি অনুমোদন পাওয়া কঠিন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এছাড়া বিষয়টি ফিফার আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।

ফিফা আগামী বছরগুলোতে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন, নতুন অবকাঠামো নির্মাণ, নারী ফুটবল এবং বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজছে সংস্থাটি। তবে এই পরিকল্পনায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টি শুরু থেকেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কয়েকটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ফিফার বাণিজ্যিক সম্পদে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে ফিফা এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির ঘোষণা দেয়নি।

অনেক ফুটবল ফেডারেশনের আশঙ্কা, একবার বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা যুক্ত হলে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে তাদের প্রভাব বাড়তে পারে। এতে ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি নীতিনির্ধারণে স্বাধীনতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর ফিফার আর্থিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিশ্বকাপ থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় এবং বড় অঙ্কের নগদ রিজার্ভ থাকায় অনেক সদস্য সংস্থা মনে করছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত বেসরকারি অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট নয়।

প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করা হলেও বিষয়টি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। ফিফা ভবিষ্যতে সদস্য কনফেডারেশনগুলোর মতামত নিয়ে সংশোধিত বা নতুন কোনো অর্থায়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত আলোচনা এবং ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ আয়োজন বা সূচিতে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বিরোধ কেবল অর্থায়নের নতুন মডেল নিয়ে। ফলে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও আয়োজন স্বাভাবিকভাবেই চলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ফিফার রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং সদস্য দেশগুলোর আস্থা বজায় রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, বড় ধরনের আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব কনফেডারেশনকে সম্পৃক্ত করা এবং বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।

আগামী কয়েক মাসে ফিফা কাউন্সিল ও বিভিন্ন মহাদেশীয় কনফেডারেশনের বৈঠকে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসতে পারে। সদস্য দেশগুলোর মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবে পরিবর্তন আনা হলে তবেই এটি অনুমোদনের পথে এগোতে পারে।