ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

লিটন দাস প্রস্তুতি ম্যাচ | দারুণ প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০২

ডারউইনে অনুশীলনের সময় ব্যাটিং করছেন লিটন দাস। ছবি: সংগৃহীত

লিটন দাস প্রস্তুতি ম্যাচ ঘিরে বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তদের অপেক্ষা এখন তুঙ্গে। পায়ের পেশির চোট কাটিয়ে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ডারউইনে দলের অনুশীলনে ব্যাটিং, উইকেটকিপিং ও দৌড়ঝাঁপ করেছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচেই তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে, যা প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর।

বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্ট শুরু থেকেই লিটনকে ধীরে ধীরে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। প্রথমে ধারণা ছিল দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ফিটনেসে দ্রুত উন্নতি হওয়ায় এখন তাঁকে প্রস্তুতি ম্যাচেই খেলানোর চিন্তা করছে দল। ম্যাচের আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লিটনের উপস্থিতি ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপিং বিভাগেও বাংলাদেশকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে।

ডারউইনের ডিএক্সসি অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই তিন দিনের ম্যাচে প্রতিটি দলে ১৩ জন ক্রিকেটার রাখার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের অদলবদল করেও খেলানো যাবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চাইছে খেলোয়াড়ের সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ, যাতে অতিরিক্ত একজন ক্রিকেটারকে ম্যাচ পরিস্থিতিতে যাচাই করা যায়। মূল লক্ষ্য অবশ্য ফল নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া।

বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশও বেশ শক্তিশালী। দলটির নেতৃত্বে আছেন টেস্ট ক্রিকেটার কার্টিস প্যাটারসন। তরুণ ওপেনার স্যাম কনস্টাস, ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে, জ্যাক ডোরান, টিগ ওয়াইলি ও উইকেটকিপার জশ ফিলিপের মতো ক্রিকেটাররা এই ম্যাচে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নির্বাচকরাও তাঁদের পারফরম্যান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।

বোলিং বিভাগেও রয়েছে বেশ কয়েকজন সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার। অফ স্পিনার কোরি রকিকিওলি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে আলোচনায় রয়েছেন। স্থানীয় পেসার টম মেনজিস নিজের শহরে আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগকে বড় মঞ্চ হিসেবে দেখছেন। শেষ মুহূর্তে দলে যোগ দিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান জ্যাক ক্লেটনও, যিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছেন।

সব মিলিয়ে এই প্রস্তুতি ম্যাচটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং প্রথম টেস্টের আগে সেরা সমন্বয় খুঁজে বের করা। আর লিটন দাস যদি মাঠে নামেন, তাহলে সেটিই হবে টাইগারদের জন্য সবচেয়ে বড় ইতিবাচক খবর। তাঁর ম্যাচ ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া প্রথম টেস্টের আগে দলের শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

ওজন কমাতে চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড না ইসবগুল?

লিটন দাস প্রস্তুতি ম্যাচ | দারুণ প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা

Update Time : ১১:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

লিটন দাস প্রস্তুতি ম্যাচ ঘিরে বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তদের অপেক্ষা এখন তুঙ্গে। পায়ের পেশির চোট কাটিয়ে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ডারউইনে দলের অনুশীলনে ব্যাটিং, উইকেটকিপিং ও দৌড়ঝাঁপ করেছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচেই তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে, যা প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর।

বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্ট শুরু থেকেই লিটনকে ধীরে ধীরে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। প্রথমে ধারণা ছিল দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ফিটনেসে দ্রুত উন্নতি হওয়ায় এখন তাঁকে প্রস্তুতি ম্যাচেই খেলানোর চিন্তা করছে দল। ম্যাচের আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লিটনের উপস্থিতি ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপিং বিভাগেও বাংলাদেশকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে।

আরও পড়ুন  ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো টিভি সিরিজ: চমকপ্রদ নতুন অধ্যায় শুরু

ডারউইনের ডিএক্সসি অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই তিন দিনের ম্যাচে প্রতিটি দলে ১৩ জন ক্রিকেটার রাখার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের অদলবদল করেও খেলানো যাবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চাইছে খেলোয়াড়ের সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ, যাতে অতিরিক্ত একজন ক্রিকেটারকে ম্যাচ পরিস্থিতিতে যাচাই করা যায়। মূল লক্ষ্য অবশ্য ফল নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া।

আরও পড়ুন  আলভারেজের জাদুতে আর্জেন্টিনার জয়, বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড

বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশও বেশ শক্তিশালী। দলটির নেতৃত্বে আছেন টেস্ট ক্রিকেটার কার্টিস প্যাটারসন। তরুণ ওপেনার স্যাম কনস্টাস, ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে, জ্যাক ডোরান, টিগ ওয়াইলি ও উইকেটকিপার জশ ফিলিপের মতো ক্রিকেটাররা এই ম্যাচে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নির্বাচকরাও তাঁদের পারফরম্যান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।

বোলিং বিভাগেও রয়েছে বেশ কয়েকজন সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার। অফ স্পিনার কোরি রকিকিওলি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে আলোচনায় রয়েছেন। স্থানীয় পেসার টম মেনজিস নিজের শহরে আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগকে বড় মঞ্চ হিসেবে দেখছেন। শেষ মুহূর্তে দলে যোগ দিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান জ্যাক ক্লেটনও, যিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছেন।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশের লক্ষ্য কী? জানালেন শান্ত

সব মিলিয়ে এই প্রস্তুতি ম্যাচটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং প্রথম টেস্টের আগে সেরা সমন্বয় খুঁজে বের করা। আর লিটন দাস যদি মাঠে নামেন, তাহলে সেটিই হবে টাইগারদের জন্য সবচেয়ে বড় ইতিবাচক খবর। তাঁর ম্যাচ ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া প্রথম টেস্টের আগে দলের শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে পারে।