ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা, ওয়েবস্টারের শক্ত বার্তা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৫

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা এখনো দেখছেন বো ওয়েবস্টার। | ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা এখনো শেষ হয়ে যায়নি—ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে এমন বার্তাই দিয়েছেন অলরাউন্ডার বো ওয়েবস্টার। ম্যাচের পরিস্থিতি অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে। ফলে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৩ রানে, হাতে রয়েছে আরও চারটি উইকেট।

স্কোরকার্ডের দিকে তাকালে বাংলাদেশের দাপটই স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে খুব বেশি স্বস্তি দেননি বাংলাদেশের বোলাররা। স্টিভেন স্মিথ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যাটসম্যান ত্রিশের ঘরও পেরোতে পারেননি। বিপরীতে নিজেদের ইনিংসে দারুণভাবে জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের ৮৪ রানের ইনিংস দলকে বড় লিডের পথে এগিয়ে দিয়েছে।

তবু অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ থেকে নিজেদের পুরোপুরি ছিটকে গেছে বলে মনে করছে না। দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওয়েবস্টারের কথায় বরং ছিল আত্মবিশ্বাস। তাঁর মতে, পরিস্থিতি কঠিন হলেও ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা নিয়ে দলের ক্রিকেটাররা এখনো ভাবছেন। প্রথম কাজ হিসেবে বাংলাদেশের শেষ চারটি উইকেট দ্রুত তুলে নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর বড় চ্যালেঞ্জ হবে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে দীর্ঘ সময় ব্যাট করা।

ওয়েবস্টারের পরিকল্পনাটা সহজ, কিন্তু বাস্তবায়ন কঠিন। বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করার পর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের প্রায় দুই দিন ব্যাটিং করতে হতে পারে। টেস্ট ক্রিকেটে এমন পরিস্থিতি থেকে জয় বের করে আনা যে কতটা কঠিন, সেটি অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডারও স্বীকার করেছেন। তবে তাঁর বিশ্বাস, দলের ক্রিকেটারদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আস্থা আছে এবং সেই বিশ্বাস থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে তারা।

ম্যাচের উইকেট নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ওয়েবস্টার। তাঁর পর্যবেক্ষণ, প্রথম দিনের সকালের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে পিচ কিছুটা ব্যাটিংবান্ধব হয়ে উঠেছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও উইকেট আগের চেয়ে ফ্ল্যাট মনে হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাটসম্যানদের জন্য রান করার সুযোগ কিছুটা বেড়েছে। এই পরিবর্তনকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য সম্ভাব্য ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখা যেতে পারে।

তবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্বও অকপটে স্বীকার করেছেন ওয়েবস্টার। তাঁর মতে, বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল সত্যিই ভালো। উইকেট পাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়া একাধিক কৌশল ব্যবহার করেছে। কখনো ওয়াইড বল, কখনো সোজা বল, আবার কখনো স্পিন কিংবা বাউন্সার দিয়ে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো পরিকল্পনাতেই দ্রুত সাফল্য আসেনি। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা পরিস্থিতি বুঝে নিজেদের ইনিংস এগিয়ে নিয়েছেন।

এখন অস্ট্রেলিয়ার সামনে সবচেয়ে বড় কাজ বাংলাদেশের ইনিংস দ্রুত শেষ করা। চার উইকেট হাতে থাকায় বাংলাদেশ আরও বড় লিড নিতে চাইবে। যত বেশি রান যোগ হবে, অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথ তত কঠিন হয়ে উঠবে। তাই তৃতীয় দিনের শুরুটা দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে লিড যতটা সম্ভব বাড়ানো, আর অস্ট্রেলিয়া চাইবে দ্রুত উইকেট তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ফেরার।

বাংলাদেশের জন্য অবশ্য এই অবস্থান বড় আত্মবিশ্বাসের কারণ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে আটকে দেওয়ার পর নিজেদের ব্যাটিংয়েও দলটি দারুণভাবে এগিয়েছে। তানজিদের শতক এবং নাজমুলের ৮৪ রান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, দলের বড় লিডের ভিত্তিও তৈরি করেছে। শেষ চার উইকেটের ব্যাটসম্যানরা যদি আরও কিছু রান যোগ করতে পারেন, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্য আরও কঠিন হয়ে যাবে।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস অবশ্য এমন অনেক ম্যাচের সাক্ষী, যেখানে কঠিন অবস্থান থেকেও দলটি ফিরে এসেছে। সেই মানসিকতার কথাই যেন মনে করিয়ে দিয়েছেন ওয়েবস্টার। তাঁর বক্তব্যে আত্মসমর্পণের কোনো ইঙ্গিত নেই; বরং শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রত্যয়ই স্পষ্ট। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা তাই স্কোরবোর্ডে যতটা ক্ষীণ দেখাচ্ছে, দলের ভাবনায় এখনো ততটা নয়।

ডারউইন টেস্টে ম্যাচের মোড় ঘোরাতে হলে অস্ট্রেলিয়াকে একসঙ্গে কয়েকটি কঠিন কাজ করতে হবে। প্রথমে দ্রুত বাংলাদেশের বাকি চার উইকেট নিতে হবে। এরপর নিজেদের ব্যাটিংয়ে বড় রান করতে হবে এবং বাংলাদেশের বোলারদের দীর্ঘ সময় সামলাতে হবে। এর যেকোনো একটি ধাপে ব্যর্থ হলেই ম্যাচ আরও পরিষ্কারভাবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

অন্যদিকে বাংলাদেশও এখন নিশ্চিন্ত থাকার সুযোগ পাচ্ছে না। ক্রিকেটে চতুর্থ ইনিংসের চাপ সব সময়ই আলাদা। তাই বড় লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে সুযোগ না দেওয়াই হবে বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ম্যাচের চিত্র আরও পরিষ্কার হতে পারে। বাংলাদেশ কত রান যোগ করে এবং অস্ট্রেলিয়া কত দ্রুত চার উইকেট তুলে নেয়—এই দুই প্রশ্নের উত্তরেই অনেকটা নির্ভর করছে ম্যাচের পরের গল্প।

সব মিলিয়ে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ সুবিধাজনক জায়গায় থাকলেও অস্ট্রেলিয়া এখনো লড়াই ছাড়ছে না। ওয়েবস্টারের আত্মবিশ্বাসী বক্তব্যে সেটিই ফুটে উঠেছে। কঠিন পথ সামনে, প্রয়োজন অসাধারণ ব্যাটিং ও দ্রুত উইকেট। সেই পরীক্ষায় অস্ট্রেলিয়া কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার। বাংলাদেশের দাপটের মাঝেও তাই অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা, ওয়েবস্টারের শক্ত বার্তা

Update Time : ১১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা এখনো শেষ হয়ে যায়নি—ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে এমন বার্তাই দিয়েছেন অলরাউন্ডার বো ওয়েবস্টার। ম্যাচের পরিস্থিতি অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে। ফলে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৩ রানে, হাতে রয়েছে আরও চারটি উইকেট।

স্কোরকার্ডের দিকে তাকালে বাংলাদেশের দাপটই স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে খুব বেশি স্বস্তি দেননি বাংলাদেশের বোলাররা। স্টিভেন স্মিথ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যাটসম্যান ত্রিশের ঘরও পেরোতে পারেননি। বিপরীতে নিজেদের ইনিংসে দারুণভাবে জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের ৮৪ রানের ইনিংস দলকে বড় লিডের পথে এগিয়ে দিয়েছে।

তবু অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ থেকে নিজেদের পুরোপুরি ছিটকে গেছে বলে মনে করছে না। দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওয়েবস্টারের কথায় বরং ছিল আত্মবিশ্বাস। তাঁর মতে, পরিস্থিতি কঠিন হলেও ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা নিয়ে দলের ক্রিকেটাররা এখনো ভাবছেন। প্রথম কাজ হিসেবে বাংলাদেশের শেষ চারটি উইকেট দ্রুত তুলে নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর বড় চ্যালেঞ্জ হবে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে দীর্ঘ সময় ব্যাট করা।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের শুরুতেই মরক্কো বাধা, জিতবে কে?

ওয়েবস্টারের পরিকল্পনাটা সহজ, কিন্তু বাস্তবায়ন কঠিন। বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করার পর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের প্রায় দুই দিন ব্যাটিং করতে হতে পারে। টেস্ট ক্রিকেটে এমন পরিস্থিতি থেকে জয় বের করে আনা যে কতটা কঠিন, সেটি অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডারও স্বীকার করেছেন। তবে তাঁর বিশ্বাস, দলের ক্রিকেটারদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপর আস্থা আছে এবং সেই বিশ্বাস থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে তারা।

ম্যাচের উইকেট নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ওয়েবস্টার। তাঁর পর্যবেক্ষণ, প্রথম দিনের সকালের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে পিচ কিছুটা ব্যাটিংবান্ধব হয়ে উঠেছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও উইকেট আগের চেয়ে ফ্ল্যাট মনে হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাটসম্যানদের জন্য রান করার সুযোগ কিছুটা বেড়েছে। এই পরিবর্তনকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য সম্ভাব্য ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখা যেতে পারে।

তবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্বও অকপটে স্বীকার করেছেন ওয়েবস্টার। তাঁর মতে, বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল সত্যিই ভালো। উইকেট পাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়া একাধিক কৌশল ব্যবহার করেছে। কখনো ওয়াইড বল, কখনো সোজা বল, আবার কখনো স্পিন কিংবা বাউন্সার দিয়ে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনো পরিকল্পনাতেই দ্রুত সাফল্য আসেনি। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা পরিস্থিতি বুঝে নিজেদের ইনিংস এগিয়ে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলকে ৭ গোল দেওয়া দেশগুলো: বিশ্ব ফুটবলের অবিশ্বাস্য রেকর্ড

এখন অস্ট্রেলিয়ার সামনে সবচেয়ে বড় কাজ বাংলাদেশের ইনিংস দ্রুত শেষ করা। চার উইকেট হাতে থাকায় বাংলাদেশ আরও বড় লিড নিতে চাইবে। যত বেশি রান যোগ হবে, অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথ তত কঠিন হয়ে উঠবে। তাই তৃতীয় দিনের শুরুটা দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে লিড যতটা সম্ভব বাড়ানো, আর অস্ট্রেলিয়া চাইবে দ্রুত উইকেট তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ফেরার।

বাংলাদেশের জন্য অবশ্য এই অবস্থান বড় আত্মবিশ্বাসের কারণ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে আটকে দেওয়ার পর নিজেদের ব্যাটিংয়েও দলটি দারুণভাবে এগিয়েছে। তানজিদের শতক এবং নাজমুলের ৮৪ রান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, দলের বড় লিডের ভিত্তিও তৈরি করেছে। শেষ চার উইকেটের ব্যাটসম্যানরা যদি আরও কিছু রান যোগ করতে পারেন, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্য আরও কঠিন হয়ে যাবে।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাস অবশ্য এমন অনেক ম্যাচের সাক্ষী, যেখানে কঠিন অবস্থান থেকেও দলটি ফিরে এসেছে। সেই মানসিকতার কথাই যেন মনে করিয়ে দিয়েছেন ওয়েবস্টার। তাঁর বক্তব্যে আত্মসমর্পণের কোনো ইঙ্গিত নেই; বরং শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রত্যয়ই স্পষ্ট। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা তাই স্কোরবোর্ডে যতটা ক্ষীণ দেখাচ্ছে, দলের ভাবনায় এখনো ততটা নয়।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ড দলে চুরির ধাক্কা, আটক ২ জন

ডারউইন টেস্টে ম্যাচের মোড় ঘোরাতে হলে অস্ট্রেলিয়াকে একসঙ্গে কয়েকটি কঠিন কাজ করতে হবে। প্রথমে দ্রুত বাংলাদেশের বাকি চার উইকেট নিতে হবে। এরপর নিজেদের ব্যাটিংয়ে বড় রান করতে হবে এবং বাংলাদেশের বোলারদের দীর্ঘ সময় সামলাতে হবে। এর যেকোনো একটি ধাপে ব্যর্থ হলেই ম্যাচ আরও পরিষ্কারভাবে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

অন্যদিকে বাংলাদেশও এখন নিশ্চিন্ত থাকার সুযোগ পাচ্ছে না। ক্রিকেটে চতুর্থ ইনিংসের চাপ সব সময়ই আলাদা। তাই বড় লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে সুযোগ না দেওয়াই হবে বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ম্যাচের চিত্র আরও পরিষ্কার হতে পারে। বাংলাদেশ কত রান যোগ করে এবং অস্ট্রেলিয়া কত দ্রুত চার উইকেট তুলে নেয়—এই দুই প্রশ্নের উত্তরেই অনেকটা নির্ভর করছে ম্যাচের পরের গল্প।

সব মিলিয়ে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ সুবিধাজনক জায়গায় থাকলেও অস্ট্রেলিয়া এখনো লড়াই ছাড়ছে না। ওয়েবস্টারের আত্মবিশ্বাসী বক্তব্যে সেটিই ফুটে উঠেছে। কঠিন পথ সামনে, প্রয়োজন অসাধারণ ব্যাটিং ও দ্রুত উইকেট। সেই পরীক্ষায় অস্ট্রেলিয়া কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার। বাংলাদেশের দাপটের মাঝেও তাই অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।