ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বৈলতলী’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন Logo চন্দনাইশে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রওশনহাট’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন Logo বাংলাদেশের এলএনজি বাজারে এবার রাশিয়ার আগ্রহ, সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-চীন Logo তিন মাসেও বোর্ড নেই, কমছে আমানত, ইসলামী ব্যাংকের সামনে বড় সংকট Logo জবিতে সংঘর্ষ ও রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদ ছাত্র ফ্রন্টের Logo ট্রাম্প-শির বৈঠকে বাণিজ্য, এআই ও বিরল খনিজ নিয়ে আলোচনা Logo ঢাবিতে অপ্রতিম-আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল Logo চন্দনাইশে বসতভিটার বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ Logo চন্দনাইশে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ মাদকসেবী গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড Logo ওয়ান হেলথ: পরিবেশ-জনস্বাস্থ্য সমন্বয়ে মন্ত্রীর বার্তা

ইনফান্তিনো ক্ষমা চেয়ে বহাল, ফিফা সভাপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় বার্তা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৩৪

ফিফার সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

ইনফান্তিনো বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিদের একজন। বিতর্কিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে ক্ষমা চাইলেও তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি। মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তারা তাঁর প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘিরে। প্রস্তাবটি সামনে আসতেই উয়েফা, কনক্যাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনসহ বিভিন্ন মহাদেশীয় সংস্থা তীব্র আপত্তি জানায়। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় ফিফা।

এরপর রাবাতে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ইনফান্তিনো ও ফিফার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম নিজেদের ভুল স্বীকার করেন। সদস্যদেশগুলোর কাছে পাঠানো যৌথ চিঠিতে তাঁরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে ফিফা জানায়, কাউন্সিল ও সদস্যদেশগুলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাইরে রাখার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না।

তবে ক্ষমা চাইলেও সমালোচনা থামেনি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা জানিয়েছেন। সাবেক পর্তুগিজ কিংবদন্তি ফুটবলার লুইস ফিগোও তাঁকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ফুটবলের স্বার্থে নেতৃত্বে পরিবর্তন প্রয়োজন। অন্যদিকে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে বিচক্ষণ বলে মন্তব্য করেন।

ফিফার পরিচালনা পর্ষদ অবশ্য স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ২১১ সদস্যদেশের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু ভুল থাকলেও তা বিদ্যমান নিয়মের মধ্যেই হয়েছিল। পাশাপাশি ফিফার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

এখন নজর ২০২৭ সালের মার্চে মরক্কোয় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসের দিকে। সেখানে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ইনফান্তিনো চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে উয়েফাসহ কয়েকটি সদস্যদেশের বিরোধিতা তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফলে ক্ষমা প্রার্থনা সাময়িকভাবে বিতর্ক কমালেও, ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা এখনো শেষ হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বৈলতলী’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

ইনফান্তিনো ক্ষমা চেয়ে বহাল, ফিফা সভাপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় বার্তা

Update Time : ১২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ইনফান্তিনো বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিদের একজন। বিতর্কিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে ক্ষমা চাইলেও তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি। মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তারা তাঁর প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘিরে। প্রস্তাবটি সামনে আসতেই উয়েফা, কনক্যাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনসহ বিভিন্ন মহাদেশীয় সংস্থা তীব্র আপত্তি জানায়। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় ফিফা।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ড দলে চুরির ধাক্কা, আটক ২ জন

এরপর রাবাতে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ইনফান্তিনো ও ফিফার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোম নিজেদের ভুল স্বীকার করেন। সদস্যদেশগুলোর কাছে পাঠানো যৌথ চিঠিতে তাঁরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে ফিফা জানায়, কাউন্সিল ও সদস্যদেশগুলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাইরে রাখার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না।

তবে ক্ষমা চাইলেও সমালোচনা থামেনি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা জানিয়েছেন। সাবেক পর্তুগিজ কিংবদন্তি ফুটবলার লুইস ফিগোও তাঁকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ফুটবলের স্বার্থে নেতৃত্বে পরিবর্তন প্রয়োজন। অন্যদিকে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে বিচক্ষণ বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  ব্রুনো ফার্নান্দেজকে ছাড়বে না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ট্রান্সফারে বড় সিদ্ধান্ত

ফিফার পরিচালনা পর্ষদ অবশ্য স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ২১১ সদস্যদেশের ভোটে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু ভুল থাকলেও তা বিদ্যমান নিয়মের মধ্যেই হয়েছিল। পাশাপাশি ফিফার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

এখন নজর ২০২৭ সালের মার্চে মরক্কোয় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসের দিকে। সেখানে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ইনফান্তিনো চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে উয়েফাসহ কয়েকটি সদস্যদেশের বিরোধিতা তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফলে ক্ষমা প্রার্থনা সাময়িকভাবে বিতর্ক কমালেও, ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা এখনো শেষ হয়নি।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপে না খেলা ফুটবলার