ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, যা বললেন স্পিকার Logo বিয়ের আগে বর কনের যেসব স্বাস্থ্য পরীক্ষা অবশ্যই করানো উচিত Logo জিপিএফে জমা যত কম, মুনাফা তত বেশি—সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ Logo তারেক রহমানের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার বৈঠক Logo বিএনপি আগে ব্যর্থ বিরোধী দল, এখন ব্যর্থ সরকার: আতাউল্লাহ আমীন Logo রানি মুখার্জির মা কৃষ্ণা মুখার্জি আর নেই Logo রেফারিং নিয়ে বিতর্কের পরও শাস্তি থেকে রক্ষা পেলেন মরিনিও Logo শচিনকে ছাড়িয়ে ২৩ হাজার আন্তর্জাতিক রানের ক্লাবে জো রুট Logo তেলের ডিপোতে চাঁদা দাবি, কৃষক দলের নেতা গ্রেফতার হয়ে বহিষ্কার Logo মেরুদণ্ডে এখনও ৫ আগস্টের গুলির স্প্লিন্টার গেঁথে আছে: নবী হোসেন

ভেজা চুলে ঘুমানো কতটা ক্ষতিকর? জানুন স্বাস্থ্যঝুঁকি

ভেজা চুলে ঘুমালে হতে পারে স্ক্যাল্প ও চুলের ক্ষতি ছবি: সংগৃহীত

ভেজা চুলে ঘুমানো নিয়ে ছোটবেলা থেকেই আমরা একটা কথা শুনে আসছি এতে নাকি ঠান্ডা লেগে যায় বা জ্বর হয়। অভিভাবকরাও প্রায়ই এই ভয়ে ভেজা চুলে ঘুমাতে বারণ করতেন। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা।

ভারতের শারদাকেয়ার হেলথসিটির ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ড. নীরজ কুমারের মতে, সর্দি-কাশি বা ফ্লু মূলত ভাইরাসের কারণে হয়, ভেজা চুলে ঘুমানোর কারণে নয়। তাই ভেজা চুল থেকে সরাসরি অসুস্থতা তৈরি হওয়ার প্রচলিত ধারণাটি আসলে একটি ভুল বিশ্বাস।

তবে রোগ সরাসরি না ছড়ালেও ভেজা চুলে ঘুমানো একেবারে নিরাপদ অভ্যাস নয়। এটি স্ক্যাল্প, চুলের গুণগত মান ও ঘুমের স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

দীর্ঘ সময় স্ক্যাল্প ভেজা থাকলে সেখানে উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশ তৈরি হয়, যা ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির জন্য উপযোগী। যাদের আগে থেকেই খুশকি বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চুলকানি বা লালচে ভাব বেড়ে যেতে পারে।

ভেজা অবস্থায় চুল সবচেয়ে দুর্বল থাকে, কারণ পানি ঢুকে চুলের ফাইবার ফুলে ওঠে। রাতে বালিশের সঙ্গে ঘষা লেগে চুল সহজে ভেঙে যায়, জট পাকায় এবং উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। এছাড়া ভেজা চুলের আর্দ্রতা বালিশে শোষিত হয়ে সেখানে জীবাণুর বসবাস তৈরি করতে পারে, যা থেকে অ্যালার্জি বা ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে। ঠান্ডা ও ভেজা বালিশে দীর্ঘক্ষণ শোয়ার কারণে কারও কারও মাথাব্যথা বা ঘাড়ে অস্বস্তিও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, সম্ভব হলে ঘুমানোর আগেই চুল সম্পূর্ণ শুকিয়ে নেওয়া ভালো। সময় না থাকলে তোয়ালে দিয়ে অতিরিক্ত পানি মুছে নেওয়া, হালকা তাপে ড্রায়ার ব্যবহার করা, চুল আলগা রাখা এবং সুতির বদলে সিল্ক বা স্যাটিনের বালিশকভার ব্যবহার করা যেতে পারে। নিয়মিত বালিশকভার ধুয়ে রোদে শুকানোও জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, যা বললেন স্পিকার

ভেজা চুলে ঘুমানো কতটা ক্ষতিকর? জানুন স্বাস্থ্যঝুঁকি

Update Time : ১১:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ভেজা চুলে ঘুমানো নিয়ে ছোটবেলা থেকেই আমরা একটা কথা শুনে আসছি এতে নাকি ঠান্ডা লেগে যায় বা জ্বর হয়। অভিভাবকরাও প্রায়ই এই ভয়ে ভেজা চুলে ঘুমাতে বারণ করতেন। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা।

ভারতের শারদাকেয়ার হেলথসিটির ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ড. নীরজ কুমারের মতে, সর্দি-কাশি বা ফ্লু মূলত ভাইরাসের কারণে হয়, ভেজা চুলে ঘুমানোর কারণে নয়। তাই ভেজা চুল থেকে সরাসরি অসুস্থতা তৈরি হওয়ার প্রচলিত ধারণাটি আসলে একটি ভুল বিশ্বাস।

আরও পড়ুন  ফোনের কভারে তেজপাতা: সৌভাগ্যের গোপন রহস্য নাকি ট্রেন্ড?

তবে রোগ সরাসরি না ছড়ালেও ভেজা চুলে ঘুমানো একেবারে নিরাপদ অভ্যাস নয়। এটি স্ক্যাল্প, চুলের গুণগত মান ও ঘুমের স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

দীর্ঘ সময় স্ক্যাল্প ভেজা থাকলে সেখানে উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশ তৈরি হয়, যা ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির জন্য উপযোগী। যাদের আগে থেকেই খুশকি বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চুলকানি বা লালচে ভাব বেড়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন  ওজন কমাতে কঠিন ডায়েট নয় প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই ছয়টি বদল

ভেজা অবস্থায় চুল সবচেয়ে দুর্বল থাকে, কারণ পানি ঢুকে চুলের ফাইবার ফুলে ওঠে। রাতে বালিশের সঙ্গে ঘষা লেগে চুল সহজে ভেঙে যায়, জট পাকায় এবং উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। এছাড়া ভেজা চুলের আর্দ্রতা বালিশে শোষিত হয়ে সেখানে জীবাণুর বসবাস তৈরি করতে পারে, যা থেকে অ্যালার্জি বা ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে। ঠান্ডা ও ভেজা বালিশে দীর্ঘক্ষণ শোয়ার কারণে কারও কারও মাথাব্যথা বা ঘাড়ে অস্বস্তিও হতে পারে।

আরও পড়ুন  বর্ষায় শাড়িতে আরাম ও আভিজাত্য, জানুন সেরা ফ্যাশন টিপস

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, সম্ভব হলে ঘুমানোর আগেই চুল সম্পূর্ণ শুকিয়ে নেওয়া ভালো। সময় না থাকলে তোয়ালে দিয়ে অতিরিক্ত পানি মুছে নেওয়া, হালকা তাপে ড্রায়ার ব্যবহার করা, চুল আলগা রাখা এবং সুতির বদলে সিল্ক বা স্যাটিনের বালিশকভার ব্যবহার করা যেতে পারে। নিয়মিত বালিশকভার ধুয়ে রোদে শুকানোও জরুরি।