ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জান্নাত বেগম: পদক বাতিল, আজীবন নিষেধাজ্ঞা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৪

জান্নাত বেগমকে ঘিরে অ্যাথলেটিকস অঙ্গনে বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীত

জান্নাত বেগমকে ঘিরে যে বিতর্ক এত দিন ধরে দেশের অ্যাথলেটিকস অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করছিল, এবার তাতে বড় সিদ্ধান্ত এসেছে। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়ের জাতীয় পর্যায়ের সব পদক বাতিল করেছে। একই সঙ্গে দুজনকেই আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে নারী বিভাগে তাঁদের আর প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। এই সিদ্ধান্তে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, দুজনই এত দিন নারী অ্যাথলেট হিসেবে জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন। জান্নাত থ্রো ইভেন্টের অ্যাথলেট এবং কবিতা স্প্রিন্টার হিসেবে প্রতিযোগিতা করেছেন। ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁদের অর্জিত পদকগুলোও এখন নতুন করে হিসাবের আওতায় আসবে।

ঘটনার সূত্রপাত তাঁদের লিঙ্গ নির্ধারণ নিয়ে ওঠা অভিযোগ থেকে। অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের আগের কমিটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অনুরোধ করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে। দীর্ঘ কয়েক মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মূল্যায়নের পর গত ১১ মে বোর্ডের কার্যক্রম শেষ হয়। পরে ১৬ মে ফেডারেশনের কাছে জমা দেওয়া হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নতুন অ্যাডহক কমিটি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়। অর্থাৎ, বিষয়টি শুধু প্রতিযোগিতার মাঠে পারফরম্যান্স বা অভিযোগের ওপর নির্ভর করে নয়; ফেডারেশনের বক্তব্য অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ডের মূল্যায়নও সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়েছে।

মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদনে দুজনের শরীরে নারীর স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় বেশি টেস্টোস্টেরন পাওয়া যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জান্নাত বেগমের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ১৯ দশমিক ৬৬ এনমোল/লিটার এবং কবিতা রায়ের ক্ষেত্রে ১৬ দশমিক ৫০ এনমোল/লিটার পাওয়া যায় বলে জানানো হয়েছে। ফেডারেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, World Athletics-এর নারী বিভাগে নির্দিষ্ট যোগ্যতার ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ২ দশমিক ৫ এনমোল/লিটারের নিচে রাখার শর্ত রয়েছে। বর্তমান নিয়মে সংশ্লিষ্ট অ্যাথলেটকে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতার যোগ্য হতে নির্দিষ্ট সময় ধরে ওই সীমার নিচে থাকতে হয়। তবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা, লিঙ্গ পরিচয় এবং Differences of Sex Development (DSD)—এসব বিষয় চিকিৎসাবিজ্ঞানে আলাদা ও জটিল বিষয়। তাই কোনো অ্যাথলেট সম্পর্কে চূড়ান্ত পরিচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে মেডিক্যাল মূল্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট নিয়মের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

জান্নাত বেগমের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটির প্রভাব আরও বড়, কারণ তাঁর ঝুলিতে জাতীয় প্রতিযোগিতার একাধিক পদক রয়েছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপনের বক্তব্য অনুযায়ী, জান্নাতের কয়েকটি সোনাসহ মোট নয়টি পদক ছিল। অন্যদিকে কবিতা রায়ের পদকের সংখ্যা প্রায় চারটি। ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের পর এসব পদক আর তাঁদের অর্জন হিসেবে গণ্য হবে না এবং ফলাফল ও পদক তালিকায় পরিবর্তন আনা হবে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু দুই অ্যাথলেটের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারেই প্রভাব ফেলবে না, সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতাগুলোর ফলাফল ও পদক বণ্টনের হিসাবেও পরিবর্তন আনতে পারে। ফলে জাতীয় অ্যাথলেটিকসের পুরোনো ফলাফল নিয়েও নতুন করে কাজ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

দুজনের ক্রীড়া পরিচয়ের দিক থেকেও বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। জান্নাত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে অ্যাথলেটিকসে অংশ নিতেন, আর কবিতা রায় ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অ্যাথলেট। অর্থাৎ জাতীয় পর্যায়ে তাঁরা শুধু ব্যক্তিগতভাবে নয়, দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাবাহিনীর প্রতিনিধিত্বও করেছেন। এখন ফেডারেশনের আজীবন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের ফলে তাঁদের ভবিষ্যৎ ক্রীড়া ক্যারিয়ার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নারী বিভাগে তাঁদের অংশগ্রহণ আর সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। একই সঙ্গে তাঁদের পুরোনো পদক ও ফলাফল নিয়েও পরিবর্তন কার্যকর হবে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে সামনে আরও আলোচনা, ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান আসতে পারে।

সব মিলিয়ে জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে ঘিরে তৈরি হওয়া ঘটনাটি এখন বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসের আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন, ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত এবং আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকসের নারী বিভাগে যোগ্যতার নিয়ম—তিনটি বিষয়ই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। World Athletics-এর বর্তমান নিয়মে নারী বিভাগে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট মেডিক্যাল ও টেস্টোস্টেরন-সংক্রান্ত শর্ত রয়েছে, আর ২০২৬ সালে নারী বিভাগে যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংস্থাটি SRY জিন পরীক্ষার ব্যবস্থাও চালু করেছে। তাই এই ঘটনা শুধু দুই অ্যাথলেটের পদক বাতিল বা নিষেধাজ্ঞার খবর নয়; এটি জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড়দের যোগ্যতা যাচাই, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নীতিমালার প্রয়োগ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জান্নাত বেগম: পদক বাতিল, আজীবন নিষেধাজ্ঞা

Update Time : ১১:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

জান্নাত বেগমকে ঘিরে যে বিতর্ক এত দিন ধরে দেশের অ্যাথলেটিকস অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করছিল, এবার তাতে বড় সিদ্ধান্ত এসেছে। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়ের জাতীয় পর্যায়ের সব পদক বাতিল করেছে। একই সঙ্গে দুজনকেই আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে নারী বিভাগে তাঁদের আর প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। এই সিদ্ধান্তে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, দুজনই এত দিন নারী অ্যাথলেট হিসেবে জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন। জান্নাত থ্রো ইভেন্টের অ্যাথলেট এবং কবিতা স্প্রিন্টার হিসেবে প্রতিযোগিতা করেছেন। ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁদের অর্জিত পদকগুলোও এখন নতুন করে হিসাবের আওতায় আসবে।

ঘটনার সূত্রপাত তাঁদের লিঙ্গ নির্ধারণ নিয়ে ওঠা অভিযোগ থেকে। অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের আগের কমিটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অনুরোধ করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে। দীর্ঘ কয়েক মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মূল্যায়নের পর গত ১১ মে বোর্ডের কার্যক্রম শেষ হয়। পরে ১৬ মে ফেডারেশনের কাছে জমা দেওয়া হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নতুন অ্যাডহক কমিটি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়। অর্থাৎ, বিষয়টি শুধু প্রতিযোগিতার মাঠে পারফরম্যান্স বা অভিযোগের ওপর নির্ভর করে নয়; ফেডারেশনের বক্তব্য অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ডের মূল্যায়নও সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপে অংশ নিতে কঠোর লড়াই করেছি: আমিনুল ইসলাম

মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদনে দুজনের শরীরে নারীর স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় বেশি টেস্টোস্টেরন পাওয়া যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জান্নাত বেগমের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ১৯ দশমিক ৬৬ এনমোল/লিটার এবং কবিতা রায়ের ক্ষেত্রে ১৬ দশমিক ৫০ এনমোল/লিটার পাওয়া যায় বলে জানানো হয়েছে। ফেডারেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, World Athletics-এর নারী বিভাগে নির্দিষ্ট যোগ্যতার ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ২ দশমিক ৫ এনমোল/লিটারের নিচে রাখার শর্ত রয়েছে। বর্তমান নিয়মে সংশ্লিষ্ট অ্যাথলেটকে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতার যোগ্য হতে নির্দিষ্ট সময় ধরে ওই সীমার নিচে থাকতে হয়। তবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা, লিঙ্গ পরিচয় এবং Differences of Sex Development (DSD)—এসব বিষয় চিকিৎসাবিজ্ঞানে আলাদা ও জটিল বিষয়। তাই কোনো অ্যাথলেট সম্পর্কে চূড়ান্ত পরিচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে মেডিক্যাল মূল্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট নিয়মের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে মেক্সিকো, ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে ওচোয়া

জান্নাত বেগমের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটির প্রভাব আরও বড়, কারণ তাঁর ঝুলিতে জাতীয় প্রতিযোগিতার একাধিক পদক রয়েছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপনের বক্তব্য অনুযায়ী, জান্নাতের কয়েকটি সোনাসহ মোট নয়টি পদক ছিল। অন্যদিকে কবিতা রায়ের পদকের সংখ্যা প্রায় চারটি। ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের পর এসব পদক আর তাঁদের অর্জন হিসেবে গণ্য হবে না এবং ফলাফল ও পদক তালিকায় পরিবর্তন আনা হবে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু দুই অ্যাথলেটের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারেই প্রভাব ফেলবে না, সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতাগুলোর ফলাফল ও পদক বণ্টনের হিসাবেও পরিবর্তন আনতে পারে। ফলে জাতীয় অ্যাথলেটিকসের পুরোনো ফলাফল নিয়েও নতুন করে কাজ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

দুজনের ক্রীড়া পরিচয়ের দিক থেকেও বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। জান্নাত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে অ্যাথলেটিকসে অংশ নিতেন, আর কবিতা রায় ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অ্যাথলেট। অর্থাৎ জাতীয় পর্যায়ে তাঁরা শুধু ব্যক্তিগতভাবে নয়, দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাবাহিনীর প্রতিনিধিত্বও করেছেন। এখন ফেডারেশনের আজীবন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের ফলে তাঁদের ভবিষ্যৎ ক্রীড়া ক্যারিয়ার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নারী বিভাগে তাঁদের অংশগ্রহণ আর সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। একই সঙ্গে তাঁদের পুরোনো পদক ও ফলাফল নিয়েও পরিবর্তন কার্যকর হবে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে সামনে আরও আলোচনা, ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান আসতে পারে।

আরও পড়ুন  মেসিকে থামানোর চ্যালেঞ্জ! ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার নিকো ও’রাইলির বিস্ফোরক বার্তা

সব মিলিয়ে জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে ঘিরে তৈরি হওয়া ঘটনাটি এখন বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসের আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন, ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত এবং আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিকসের নারী বিভাগে যোগ্যতার নিয়ম—তিনটি বিষয়ই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। World Athletics-এর বর্তমান নিয়মে নারী বিভাগে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট মেডিক্যাল ও টেস্টোস্টেরন-সংক্রান্ত শর্ত রয়েছে, আর ২০২৬ সালে নারী বিভাগে যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংস্থাটি SRY জিন পরীক্ষার ব্যবস্থাও চালু করেছে। তাই এই ঘটনা শুধু দুই অ্যাথলেটের পদক বাতিল বা নিষেধাজ্ঞার খবর নয়; এটি জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড়দের যোগ্যতা যাচাই, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নীতিমালার প্রয়োগ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে।