ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথমবার এসিসির সভায় অংশ নিয়েই বড় দায়িত্বে তামিম ইকবাল

ব্যাংককে এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ। ছবি: সংগৃহীত

তামিম ইকবাল এসিসি-র বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই এক বিশাল আন্তর্জাতিক সাংগঠনিক দায়িত্ব লাভ করেছেন। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আয়োজিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিকে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন এই কমিটি মূলত সমগ্র এশিয়া মহাদেশ জুড়ে ক্রিকেটের বিস্তার, উদীয়মান দেশগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি খেলার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে। বিসিবি সভাপতির এমন আন্তর্জাতিক তদারকি পদপ্রাপ্তি এশীয় ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত একই সভায় ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের জন্য এসিসির নতুন সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের খালিদ আল জারুনি।

এ ছাড়া টেস্ট মর্যাদাহীন পূর্ণ সদস্য এবং সহযোগী দেশগুলোর মধ্য থেকেও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। নতুন পরিচালন কাঠামোতে কাতারের শেখ আবদুল আজিজ, সিঙ্গাপুরের মাহমুদ গাজনাভি এবং মালদ্বীপ ও বাহরাইনের প্রতিনিধিরা নির্বাহী বোর্ডে যুক্ত হয়েছেন।

সভায় একটি যুগান্তকারী নীতিগত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়, যেখানে সভাপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার অধিকার চার দেশের সীমা ছাড়িয়ে আফগানিস্তানকেও দেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যে, তামিম ইকবাল এসিসি গেম ডেভেলপমেন্টের নেতৃত্বে আসায় আঞ্চলিক ক্রিকেটে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি নতুন প্রশাসন ও অর্থসংক্রান্ত উপকমিটি গঠনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এশিয়ান ক্রিকেটের সার্বিক অবকাঠামো বহুলাংশে শক্তিশালী হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথমবার এসিসির সভায় অংশ নিয়েই বড় দায়িত্বে তামিম ইকবাল

Update Time : ০৮:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

তামিম ইকবাল এসিসি-র বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই এক বিশাল আন্তর্জাতিক সাংগঠনিক দায়িত্ব লাভ করেছেন। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আয়োজিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিকে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন এই কমিটি মূলত সমগ্র এশিয়া মহাদেশ জুড়ে ক্রিকেটের বিস্তার, উদীয়মান দেশগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি খেলার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে। বিসিবি সভাপতির এমন আন্তর্জাতিক তদারকি পদপ্রাপ্তি এশীয় ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ স্কোয়াডে নতুন নাম

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত একই সভায় ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের জন্য এসিসির নতুন সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের খালিদ আল জারুনি।

এ ছাড়া টেস্ট মর্যাদাহীন পূর্ণ সদস্য এবং সহযোগী দেশগুলোর মধ্য থেকেও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। নতুন পরিচালন কাঠামোতে কাতারের শেখ আবদুল আজিজ, সিঙ্গাপুরের মাহমুদ গাজনাভি এবং মালদ্বীপ ও বাহরাইনের প্রতিনিধিরা নির্বাহী বোর্ডে যুক্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিলো এনএসসি, নতুন কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল

সভায় একটি যুগান্তকারী নীতিগত সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়, যেখানে সভাপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার অধিকার চার দেশের সীমা ছাড়িয়ে আফগানিস্তানকেও দেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যে, তামিম ইকবাল এসিসি গেম ডেভেলপমেন্টের নেতৃত্বে আসায় আঞ্চলিক ক্রিকেটে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি নতুন প্রশাসন ও অর্থসংক্রান্ত উপকমিটি গঠনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এশিয়ান ক্রিকেটের সার্বিক অবকাঠামো বহুলাংশে শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে: হতাশাজনক হারে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু