ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার দেশে যৌথ উদ্যোগ, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর প্রস্তুতি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২৫

দক্ষ কর্মী তৈরিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াচ্ছে চার দেশ। (ছবি: সংগৃহীত)

বিশ্বের কর্মবাজারে প্রযুক্তির প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ কর্মীর চাহিদাও দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে মালয়েশিয়া। ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সমন্বয়ে গঠিত বিম্প-ইএজিএ অঞ্চলে এ নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

১ সেপ্টেম্বর ব্রুনাই দারুসসালামে বিম্প-ইএজিএ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষা ক্লাস্টারের ১১তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মশক্তির সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি আগামী নভেম্বরের নেতৃত্ব পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতিও পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে মানবসম্পদ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরিবর্তনশীল কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে অঞ্চলটির কর্মশক্তিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় কেসুমা মানবসম্পদ উন্নয়ন ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে এ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মন্ত্রণালয়টি মনে করছে, প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ও বাড়াতে হবে। এতে ভবিষ্যতের কর্মবাজারের জন্য আরও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা সম্ভব হবে।

বিম্প-ইএজিএ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্লাস্টারের অধীনে মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা এবং যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন—এই তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ রয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো নিজেদের দক্ষতা উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এতে আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে কর্মক্ষেত্রের ধরনও বদলে যাচ্ছে। ফলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সহ পুরো অঞ্চলের কর্মীদের নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার হলে কর্মীদের দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা আরও বাড়বে।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি চার দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করা। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তৈরি করতে চায় দেশটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চার দেশে যৌথ উদ্যোগ, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর প্রস্তুতি

Update Time : ১০:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বের কর্মবাজারে প্রযুক্তির প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ কর্মীর চাহিদাও দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে মালয়েশিয়া। ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সমন্বয়ে গঠিত বিম্প-ইএজিএ অঞ্চলে এ নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

১ সেপ্টেম্বর ব্রুনাই দারুসসালামে বিম্প-ইএজিএ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষা ক্লাস্টারের ১১তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মশক্তির সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি আগামী নভেম্বরের নেতৃত্ব পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতিও পর্যালোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন  আয়ারল্যান্ডে ১৯৬ বছরের পুরোনো দুর্গ কিনলেন জাকারবার্গ

বৈঠকে মানবসম্পদ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরিবর্তনশীল কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে অঞ্চলটির কর্মশক্তিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় কেসুমা মানবসম্পদ উন্নয়ন ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে এ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মন্ত্রণালয়টি মনে করছে, প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ও বাড়াতে হবে। এতে ভবিষ্যতের কর্মবাজারের জন্য আরও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  অর্থমন্ত্রী: অর্থনীতিতে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য

বিম্প-ইএজিএ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্লাস্টারের অধীনে মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা এবং যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন—এই তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ রয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো নিজেদের দক্ষতা উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এতে আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে কর্মক্ষেত্রের ধরনও বদলে যাচ্ছে। ফলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সহ পুরো অঞ্চলের কর্মীদের নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার হলে কর্মীদের দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের জরুরি সতর্কবার্তা, মানতে হবে যেসব নিয়ম

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি চার দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করা। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তৈরি করতে চায় দেশটি।