ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ সরকার ও আইডিবির মধ্যে ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রকল্পের চুক্তি Logo চন্দনাইশে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার চুরির মামলার আলামত Logo চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করায় রেস্তোরাঁকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা Logo গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: চুরি-লুটপাট বন্ধে সময় লাগার কথা নয় Logo শাহজালাল বিমানবন্দরে ২০ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার, তোলপাড় Logo গুনাহ ও ঋণের দোয়া: পাপ ও ঋণ থেকে বাঁচার গুরুত্বপূর্ণ আমল Logo ওবায়দুল কাদেরের রায়: আগামী সপ্তাহেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত Logo প্লাস্টিকের চাপে কেশবপুরের মৃৎশিল্প, টিকে থাকার লড়াইয়ে কুমাররা Logo চেলসি খেলোয়াড় বিক্রি: বিশ্বরেকর্ড গড়ল ইংলিশ ক্লাবটি Logo দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অর্থমন্ত্রী: অর্থনীতিতে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রেইস প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী।

দেশের প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের প্রধান রাজনৈতিক দর্শন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সুষমভাবে পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সমাজের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিকেএসএফ-এর উন্নয়ন কার্যক্রম সরকারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য বলে তিনি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক জানান, পিকেএসএফ কেবল অর্থায়ন নয়, বরং প্রযুক্তি ও বাজার সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কাজ করছে। এর ফলে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি ড. গেইল এইচ. মার্টিন বলেন, বাংলাদেশের প্রতি বছর ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। তাদের কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের জন্য রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

২০৩০ সালে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পে ৪ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী তরুণদের এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সরকার ও আইডিবির মধ্যে ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রকল্পের চুক্তি

অর্থমন্ত্রী: অর্থনীতিতে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য

Update Time : ০৯:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

দেশের প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের প্রধান রাজনৈতিক দর্শন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সুষমভাবে পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সমাজের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

আরও পড়ুন  পুঁজিবাজার সংস্কার: বড় উদ্যোগের তথ্য জানালেন অর্থমন্ত্রী

মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিকেএসএফ-এর উন্নয়ন কার্যক্রম সরকারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি করাই এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য বলে তিনি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক জানান, পিকেএসএফ কেবল অর্থায়ন নয়, বরং প্রযুক্তি ও বাজার সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কাজ করছে। এর ফলে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইসলামী ব্যাংকে দ্রুতই এমডি নিয়োগ দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি ড. গেইল এইচ. মার্টিন বলেন, বাংলাদেশের প্রতি বছর ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। তাদের কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের জন্য রেইস প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

২০৩০ সালে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পে ৪ লাখ ২৩ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী তরুণদের এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন  নতুন পে স্কেল চলতি বছরেই বাস্তবায়ন হবে : অর্থমন্ত্রী