ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল Logo সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সম্পদ: এফবিআইয়ের তথ্য দুদকে Logo বেসরকারি ব্যাংকে নিয়োগে নতুন নিয়ম, পরীক্ষা বাধ্যতামূলক Logo রামুতে ১৫ একর জমি পেল বাফুফে, এগোচ্ছে ফিফার প্রকল্প Logo পাকিস্তান দলের পরিবর্তন নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন শোয়েব আখতার Logo কবজির চোট কাটিয়ে ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে আলকারাজ Logo পাকিস্তান দল নিয়ে শোয়েব আখতারের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo রোনালদোকে ছাড়িয়ে মেসির পাশে রাফিনিয়া, বার্সার হয়ে গড়লেন দুর্দান্ত রেকর্ড Logo ১২ বছর পর ইংল্যান্ড দলে ফিরলেন পিটারসেন, বিশ্বকাপের আগে বড় দায়িত্ব Logo পাকিস্তান ক্রিকেটে সাহস ও লড়াই নেই, কড়া সমালোচনায় ডি ভিলিয়ার্স

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখলেই গুম, জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:১৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৭

গুমের সংজ্ঞা নিয়ে বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রেখে কোনো ব্যক্তির অবস্থান পরিবারের কাছে গোপন করা হলে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনালে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে আটকের পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গোপন স্থানে রাখলে এবং তার পরিবারকে বিষয়টি না জানালে সেটি গুমের আওতায় পড়বে। একই সঙ্গে আটকের পর ওই ব্যক্তিকে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

তিনি জানান, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। ওই আইনে গুমের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার পর তার অবস্থান কিংবা কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা গোপন রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কাউকে অজ্ঞাত স্থানে আটক রাখা কিংবা আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত করাও স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ফলে কোনো ব্যক্তিকে আটকের পর তার অবস্থান ও আইনগত অধিকার সম্পর্কে তথ্য গোপন করার বিষয়টি আইনের আওতায় আসবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, সব ধরনের গুমের ঘটনা একইভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না। তবে ব্যাপক মাত্রায় গুম সংঘটিত হলে অথবা একই ধরনের প্যাটার্ন বা পদ্ধতি অনুসরণ করে এসব ঘটনা ঘটানো হলে তা মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

এ ধরনের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এর বিচার হতে পারে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম। তার বক্তব্যে গুমের সংজ্ঞা, আইনি কাঠামো এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে এর বিচার নিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখলেই গুম, জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

Update Time : ০৭:১৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রেখে কোনো ব্যক্তির অবস্থান পরিবারের কাছে গোপন করা হলে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনালে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে আটকের পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গোপন স্থানে রাখলে এবং তার পরিবারকে বিষয়টি না জানালে সেটি গুমের আওতায় পড়বে। একই সঙ্গে আটকের পর ওই ব্যক্তিকে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

আরও পড়ুন  সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট, ১৯ মে থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা

তিনি জানান, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। ওই আইনে গুমের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার পর তার অবস্থান কিংবা কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা গোপন রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কাউকে অজ্ঞাত স্থানে আটক রাখা কিংবা আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত করাও স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ফলে কোনো ব্যক্তিকে আটকের পর তার অবস্থান ও আইনগত অধিকার সম্পর্কে তথ্য গোপন করার বিষয়টি আইনের আওতায় আসবে।

আরও পড়ুন  গুমের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস চিফ প্রসিকিউটরের!

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, সব ধরনের গুমের ঘটনা একইভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না। তবে ব্যাপক মাত্রায় গুম সংঘটিত হলে অথবা একই ধরনের প্যাটার্ন বা পদ্ধতি অনুসরণ করে এসব ঘটনা ঘটানো হলে তা মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

এ ধরনের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এর বিচার হতে পারে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম। তার বক্তব্যে গুমের সংজ্ঞা, আইনি কাঠামো এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে এর বিচার নিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন  পিএসসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ: বড় প্রশ্নের মুখে সংস্কার