ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে টঙ্গীতে বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে টঙ্গীতে বিএনপির বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক কলেজছাত্র ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন—এমন অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত সিফাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে কলেজ গেট এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি সাজিদুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সাথী, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিরণ, টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান টিপুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।মাবেশ

বক্তারা বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সমাবেশে নেতাকর্মীরা আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটূক্তি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করা উচিত নয়।

এর আগে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের পর সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা। পুলিশের অভিযোগ, ওই ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিফাতের একটি প্রায় এক মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি নিজের বাসায় অস্বাভাবিক বেশি বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয়টি তুলে ধরেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে তথ্য যাচাই-বাছাই করে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিফাতকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়।

সিফাত আব্দুল্লাহকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতে তাঁকে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের স্বার্থে সিফাতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি আইনগতভাবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

সিফাতকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। ৪ সেপ্টেম্বরের ওই কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সিফাতের মুক্তির দাবি জানান।

এনসিপির নেতারা বলেন, মতপ্রকাশের অধিকার এবং আইনগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

অন্যদিকে, সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রতিবাদ জানালেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে মন্তব্যের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্নভাবে আলোচনায় এসেছে। রাজনৈতিক বক্তব্য বা সমালোচনার ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের অধিকার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আইন লঙ্ঘন করে কাউকে হেয় বা অপমান করার অভিযোগ উঠলে সেটিও আইনগতভাবে তদন্তের বিষয়।

টঙ্গীর বিক্ষোভের ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে সিফাতের গ্রেপ্তারের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে পৃথক রাজনৈতিক কর্মসূচিও হয়েছে।

এ অবস্থায় মামলার তদন্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য যাচাই করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় রোববারের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে টঙ্গীতে বিক্ষোভ

Update Time : ০৮:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক কলেজছাত্র ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন—এমন অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত সিফাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে কলেজ গেট এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি সাজিদুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সাথী, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিরণ, টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান টিপুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।মাবেশ

আরও পড়ুন  বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

বক্তারা বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সমাবেশে নেতাকর্মীরা আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটূক্তি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করা উচিত নয়।

এর আগে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের পর সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা। পুলিশের অভিযোগ, ওই ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিফাতের একটি প্রায় এক মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি নিজের বাসায় অস্বাভাবিক বেশি বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয়টি তুলে ধরেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, আলোচনায় নতুন সম্ভাবনা

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে তথ্য যাচাই-বাছাই করে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিফাতকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়।

সিফাত আব্দুল্লাহকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতে তাঁকে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের স্বার্থে সিফাতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি আইনগতভাবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

সিফাতকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। ৪ সেপ্টেম্বরের ওই কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সিফাতের মুক্তির দাবি জানান।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

এনসিপির নেতারা বলেন, মতপ্রকাশের অধিকার এবং আইনগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

অন্যদিকে, সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রতিবাদ জানালেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে মন্তব্যের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্নভাবে আলোচনায় এসেছে। রাজনৈতিক বক্তব্য বা সমালোচনার ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের অধিকার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আইন লঙ্ঘন করে কাউকে হেয় বা অপমান করার অভিযোগ উঠলে সেটিও আইনগতভাবে তদন্তের বিষয়।

টঙ্গীর বিক্ষোভের ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে সিফাতের গ্রেপ্তারের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে পৃথক রাজনৈতিক কর্মসূচিও হয়েছে।

এ অবস্থায় মামলার তদন্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য যাচাই করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় রোববারের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।