ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশে ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্স’ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন Logo চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল Logo সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সম্পদ: এফবিআইয়ের তথ্য দুদকে Logo বেসরকারি ব্যাংকে নিয়োগে নতুন নিয়ম, পরীক্ষা বাধ্যতামূলক Logo রামুতে ১৫ একর জমি পেল বাফুফে, এগোচ্ছে ফিফার প্রকল্প Logo পাকিস্তান দলের পরিবর্তন নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন শোয়েব আখতার Logo কবজির চোট কাটিয়ে ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে আলকারাজ Logo পাকিস্তান দল নিয়ে শোয়েব আখতারের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo রোনালদোকে ছাড়িয়ে মেসির পাশে রাফিনিয়া, বার্সার হয়ে গড়লেন দুর্দান্ত রেকর্ড Logo ১২ বছর পর ইংল্যান্ড দলে ফিরলেন পিটারসেন, বিশ্বকাপের আগে বড় দায়িত্ব

চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:১৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৩০

পোড়া তেলে চানাচুর ভাজা হচ্ছিল বগুড়ার কারখানায়। ছবি: সংগৃহীত

চানাচুর তৈরি হচ্ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। ময়দার খামির পায়ে মাড়িয়ে তৈরি করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের পোড়া তেলে চানাচুর ভাজার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, প্রস্তুত চানাচুর ময়লা মেঝেতে রাখা ও প্যাকেটজাত করার পাশাপাশি এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রংও ব্যবহার করা হচ্ছিল।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বগুড়া শহরের চেলোপাড়া এলাকায় ‘ডলার চানাচুর অ্যান্ড সেমাই কারখানায়’ অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে কারখানার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালালের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযানে বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল সহযোগিতা করেন। পরিদর্শনের সময় কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া ও খাদ্য সংরক্ষণের পরিবেশ দেখে বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা। বিশেষ করে খাবার তৈরিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়টি উঠে আসে।

নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল জানান, কারখানায় পায়ে মাড়িয়ে ময়দার খামির তৈরি করা হচ্ছিল। একইভাবে প্রস্তুত চানাচুরে মসলা মাখানোর কাজও অস্বাস্থ্যকরভাবে করা হচ্ছিল। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার করা পোড়া তেলে চানাচুর ভাজার প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযানে আরও দেখা যায়, মসলা মাখানো ও প্রস্তুত চানাচুর ময়লা মেঝেতে রাখা হচ্ছিল। পরে সেখান থেকেই খাবার প্যাকেটজাত করার ব্যবস্থা ছিল। খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক রং ব্যবহারের বিষয়টিও কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এসব কারণে খাদ্যপণ্যের মান ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

অভিযান শেষে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৩ ধারায় কারখানার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খাদ্য উৎপাদনে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি এবং ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার গুরুত্বও উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্স’ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল

Update Time : ০৯:১৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চানাচুর তৈরি হচ্ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। ময়দার খামির পায়ে মাড়িয়ে তৈরি করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের পোড়া তেলে চানাচুর ভাজার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, প্রস্তুত চানাচুর ময়লা মেঝেতে রাখা ও প্যাকেটজাত করার পাশাপাশি এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রংও ব্যবহার করা হচ্ছিল।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বগুড়া শহরের চেলোপাড়া এলাকায় ‘ডলার চানাচুর অ্যান্ড সেমাই কারখানায়’ অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে কারখানার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালালের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন  ডিবি সদস্যদের ওপর হামলা: নারায়ণগঞ্জে ৩ পুলিশ সদস্যকে পিটুনি, এসআই গুরুতর আহত

অভিযানে বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল সহযোগিতা করেন। পরিদর্শনের সময় কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া ও খাদ্য সংরক্ষণের পরিবেশ দেখে বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা। বিশেষ করে খাবার তৈরিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়টি উঠে আসে।

নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল জানান, কারখানায় পায়ে মাড়িয়ে ময়দার খামির তৈরি করা হচ্ছিল। একইভাবে প্রস্তুত চানাচুরে মসলা মাখানোর কাজও অস্বাস্থ্যকরভাবে করা হচ্ছিল। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার করা পোড়া তেলে চানাচুর ভাজার প্রমাণ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন  অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য তৈরি, অবৈধ বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

অভিযানে আরও দেখা যায়, মসলা মাখানো ও প্রস্তুত চানাচুর ময়লা মেঝেতে রাখা হচ্ছিল। পরে সেখান থেকেই খাবার প্যাকেটজাত করার ব্যবস্থা ছিল। খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক রং ব্যবহারের বিষয়টিও কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এসব কারণে খাদ্যপণ্যের মান ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

অভিযান শেষে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৩ ধারায় কারখানার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খাদ্য উৎপাদনে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি এবং ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার গুরুত্বও উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  টিটন হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি