ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিটন হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৮:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৬৯

নিউমার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। ছবি: সংগৃহীত

টিটন হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নিউমার্কেটের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মোহাম্মদপুরের বসিলা পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে টিটনের সঙ্গে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান ওরফে পিচ্চি হেলালের বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

তদন্তে জানা গেছে, বিরোধ মীমাংসার কথা বলে টিটনকে নিউমার্কেটের বটতলা এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে আগে থেকেই অস্ত্রধারী শুটাররা ওত পেতে ছিল। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, টিটন হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। মোট চারজন হামলাকারী এই কিলিং মিশনে অংশ নেয়। দুইজন গুলি চালায় এবং অন্য দুইজন মোটরসাইকেল ও অস্ত্র নিয়ে সহযোগিতা করে।

এই হামলার সমন্বয় করেন কাইলা বাদল। এছাড়া ভাঙ্গাড়ি রনি, শাহজাহান ও পিচ্চি হেলালের আরও কয়েকজন সহযোগীর নাম উঠে এসেছে তদন্তে। গুলির পর স্থানীয় লোকজন ধাওয়া দিলে হামলাকারীদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করে শাহজাহান। বিডিআর ৩ নম্বর গেটের কাছে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে তাদের বের করে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নিহত টিটনের বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় ৮ থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে টিটন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টিটন হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

Update Time : ০৮:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

টিটন হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নিউমার্কেটের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মোহাম্মদপুরের বসিলা পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে টিটনের সঙ্গে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান ওরফে পিচ্চি হেলালের বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

আরও পড়ুন  রামিসা হত্যাকাণ্ডে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবে সরকার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তদন্তে জানা গেছে, বিরোধ মীমাংসার কথা বলে টিটনকে নিউমার্কেটের বটতলা এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে আগে থেকেই অস্ত্রধারী শুটাররা ওত পেতে ছিল। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, টিটন হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। মোট চারজন হামলাকারী এই কিলিং মিশনে অংশ নেয়। দুইজন গুলি চালায় এবং অন্য দুইজন মোটরসাইকেল ও অস্ত্র নিয়ে সহযোগিতা করে।

আরও পড়ুন  উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে রাজধানীতে ৪ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন উদ্ধার

এই হামলার সমন্বয় করেন কাইলা বাদল। এছাড়া ভাঙ্গাড়ি রনি, শাহজাহান ও পিচ্চি হেলালের আরও কয়েকজন সহযোগীর নাম উঠে এসেছে তদন্তে। গুলির পর স্থানীয় লোকজন ধাওয়া দিলে হামলাকারীদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করে শাহজাহান। বিডিআর ৩ নম্বর গেটের কাছে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে তাদের বের করে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নিহত টিটনের বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় ৮ থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে টিটন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন  মাদারীপুরে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, গৃহবধূর মৃত্যু