ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে যা বললেন জাতিসংঘের হাইকমিশনার

ফলকার তুর্ক বক্তব্য | ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রমের ওপর কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক. গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গটি সামনে নিয়ে আসেন.

মানবাধিকারবিষয়ক এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে ফলকার তুর্ক উল্লেখ করেন যে, নিরাপত্তার নামে পরিচালিত বিভিন্ন সামরিকীকৃত পদ্ধতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পুরোনো কৌশল অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফলের পরিবর্তে উল্টো ফল বয়ে আনে. এ ধরনের চর্চা শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোর জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন. তিনি আরও যোগ করেন যে, এই অতিরিক্ত শক্তিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, মূলত এ কাজের জন্যই মানবাধিকারের উপস্থিতি অপরিহার্য.

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার জানান, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সার্বিক নজরদারি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জোরালো আহ্বান জানিয়ে আসছে তার দপ্তর.

বক্তব্যের অন্যান্য অংশে ফলকার তুর্ক বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার চিরতরে বন্ধে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা ব্যক্ত করেন. তিনি সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, অসচ্ছল বা দরিদ্র মানুষ এবং ভিন্নমত প্রকাশকারী ব্যক্তিদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি. তাছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন.

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে যা বললেন জাতিসংঘের হাইকমিশনার

Update Time : ১০:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রমের ওপর কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক. গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গটি সামনে নিয়ে আসেন.

মানবাধিকারবিষয়ক এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে ফলকার তুর্ক উল্লেখ করেন যে, নিরাপত্তার নামে পরিচালিত বিভিন্ন সামরিকীকৃত পদ্ধতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পুরোনো কৌশল অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফলের পরিবর্তে উল্টো ফল বয়ে আনে. এ ধরনের চর্চা শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোর জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন. তিনি আরও যোগ করেন যে, এই অতিরিক্ত শক্তিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, মূলত এ কাজের জন্যই মানবাধিকারের উপস্থিতি অপরিহার্য.

আরও পড়ুন  ‘এটি সম্পূর্ণ মনগড়া’— ট্রাম্পকে কড়া জবাব মেলোনির

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার জানান, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সার্বিক নজরদারি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জোরালো আহ্বান জানিয়ে আসছে তার দপ্তর.

বক্তব্যের অন্যান্য অংশে ফলকার তুর্ক বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার চিরতরে বন্ধে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা ব্যক্ত করেন. তিনি সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, অসচ্ছল বা দরিদ্র মানুষ এবং ভিন্নমত প্রকাশকারী ব্যক্তিদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি. তাছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন.

আরও পড়ুন  তীব্র বিক্ষোভের মুখে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা