সাক্ষাৎকালে সাংবাদিকদের কল্যাণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত পরিবেশ নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের ভালো উদ্যোগ ও সাফল্যও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।
সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বন্ধ হয়ে যাওয়া পত্রিকাগুলো পুনরায় চালুর ওপর জোর দেন। বিশেষ করে ট্রাস্টের অধীনে থাকা পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে অন্তত এক হাজার সাংবাদিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিভক্তি কখনো সাফল্য এনে দিতে পারে না। সাংবাদিকরা মৌলিক বিষয়গুলোতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারলে সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
এ সময় জাতীয় প্রেস ক্লাবের অবকাঠামো সম্প্রসারণে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন সাংবাদিক নেতারা। রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।




























