স্থানীয় নির্বাচন চলতি বছরেই শুরু হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, এ বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সম্ভাবনা কম। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী বছরের শুরুতে ভোট শুরু হতে পারে। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।
সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন এখনো ভোট শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত করেনি। এর আগে নভেম্বর থেকে ইউপি ভোট শুরুর একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা সামনে এলেও সেটি চূড়ান্ত সময়সূচি নয় বলে জানিয়েছে ইসি।
স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলেও জানান মীর শাহে আলম। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বাজেট, প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী বছরের ৬ জুনের আগে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট শেষ করতে হবে। কারণ ওই সময়ের পর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে বার্ষিক পরীক্ষা, রমজান ও এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। ফলে ভোট আয়োজনের জন্য সময় তুলনামূলকভাবে সীমিত।
ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সরকারের ৬ হাজার ৫৪৪টি প্রতিষ্ঠানের ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭০ কোটি টাকা। আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে এসব প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ছাদে স্থাপন করা সোলার প্যানেলগুলো থেকে মোট ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে ১৫০ মেগাওয়াট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের কাজে ব্যবহার করবে এবং বাকি ১৫০ মেগাওয়াট সরকারের কাছে বিক্রি করা হবে। এদিকে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ভোটের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।




























