ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সামিটের এলএনজি বন্ধ, বাড়ছে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৩২

সামিটের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় গ্যাস সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কা। (ছবি: সংগৃহীত)

সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ আবার বন্ধ হয়ে গেছে। সাগর উত্তাল থাকায় টার্মিনালে থাকা কার্গো সরিয়ে নেওয়ার পর সরবরাহ বন্ধ করা হয়। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের জোগান আরও কমে গিয়ে চলমান সংকট তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সামিটের টার্মিনাল থেকে কিছু সময়ের জন্য গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হয়েছিল। পরে সাগরের পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং টার্মিনালে থাকা কার্গোটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এ মুহূর্তে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। সামিটের সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোট সরবরাহে ঘাটতি আরও বেড়েছে। ফলে আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা গ্যাস ব্যবস্থাপনা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে আবাসিক গ্রাহকদের ওপরও। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক সময় চুলায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার চাপ এতটাই কম যে স্বাভাবিকভাবে রান্নার কাজ চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

শিল্প খাতেও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারখানাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পেলে উৎপাদন কমে যেতে পারে। বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরবরাহের ঘাটতি দীর্ঘ হলে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। বর্তমানে পিক আওয়ারে গড়ে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ আরও কমে গেলে এই ঘাটতি বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফলে গরমের মধ্যে একদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং, অন্যদিকে বাসাবাড়িতে গ্যাসের কম চাপ—দুই ধরনের ভোগান্তি একসঙ্গে বাড়তে পারে। সামিটের এলএনজি সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে, তার ওপরই এখন জাতীয় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির বড় একটি অংশ নির্ভর করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লা লিগার রেকর্ড: যে অবিশ্বাস্য কীর্তি ভাঙা কঠিন

সামিটের এলএনজি বন্ধ, বাড়ছে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কা

Update Time : ১১:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ আবার বন্ধ হয়ে গেছে। সাগর উত্তাল থাকায় টার্মিনালে থাকা কার্গো সরিয়ে নেওয়ার পর সরবরাহ বন্ধ করা হয়। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের জোগান আরও কমে গিয়ে চলমান সংকট তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সামিটের টার্মিনাল থেকে কিছু সময়ের জন্য গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হয়েছিল। পরে সাগরের পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং টার্মিনালে থাকা কার্গোটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিশ্ব মা দিবস আজ, মায়ের ভালোবাসায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন

এ মুহূর্তে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। সামিটের সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোট সরবরাহে ঘাটতি আরও বেড়েছে। ফলে আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা গ্যাস ব্যবস্থাপনা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে আবাসিক গ্রাহকদের ওপরও। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক সময় চুলায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার চাপ এতটাই কম যে স্বাভাবিকভাবে রান্নার কাজ চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন  'এই অন্ধকার সরকারের তৈরি’: বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট নিয়ে নাহিদ ইসলামের ফেসবুক স্ট্যাটাস

শিল্প খাতেও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারখানাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পেলে উৎপাদন কমে যেতে পারে। বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরবরাহের ঘাটতি দীর্ঘ হলে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। বর্তমানে পিক আওয়ারে গড়ে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ আরও কমে গেলে এই ঘাটতি বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন  গ্যাস সরবরাহ আরও কমেছে, ঢাকায়ও শুরু লোডশেডিং

ফলে গরমের মধ্যে একদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং, অন্যদিকে বাসাবাড়িতে গ্যাসের কম চাপ—দুই ধরনের ভোগান্তি একসঙ্গে বাড়তে পারে। সামিটের এলএনজি সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে, তার ওপরই এখন জাতীয় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির বড় একটি অংশ নির্ভর করছে।