কুড়িগ্রাম কৃষি উপপরিচালক বদলি হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে কুড়িগ্রাম থেকে ঝিনাইদহ জেলার বীজ প্রত্যয়ন অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত আদেশের পর ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন।
কুড়িগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ে সার বিতরণ নিয়ে নানা আলোচনা ও কৃষকদের ভোগান্তির খবর সামনে এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জেলার কয়েকটি এলাকায় সার পাওয়ার দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের তথ্যও উঠে এসেছে। তবে বদলির সরকারি আদেশে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বদলির কারণ হিসেবে সার বিতরণ পরিস্থিতিকে সরাসরি সরকারি সিদ্ধান্তের কারণ বলা যাচ্ছে না।
জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল একটি সূত্রের বরাতে কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, সার বিতরণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তৈরি পরিস্থিতির সঙ্গে এই বদলির যোগসূত্র রয়েছে। একই ধরনের তথ্য অন্য সংবাদমাধ্যমেও এসেছে। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আদেশে আলাদা করে কোনো কারণ উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি সূত্রনির্ভর তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
বদলি আদেশ অনুযায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ঝিনাইদহ জেলার বীজ প্রত্যয়ন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য করার কথা জানানো হয়। এরই মধ্যে তিনি কুড়িগ্রামের দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন বলে জানিয়েছেন।
তার স্থলে কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু ফাত্তাহ মো. রওশন কবীর। তিনি এর আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকার প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নতুন কর্মকর্তার দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে পরিবর্তন আসছে।
কুড়িগ্রাম কৃষি উপপরিচালক বদলি হওয়ার পর বর্তমানে জেলার কৃষি কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্বের দিকে নজর রয়েছে। বিশেষ করে সার বিতরণ, কৃষকদের সেবা এবং মাঠপর্যায়ের কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। আব্দুল্লাহ আল মামুন দায়িত্ব হস্তান্তর করে কুড়িগ্রাম ত্যাগ করেছেন বলে অফিস সূত্রে জানা গেছে।


























