টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শূন্য রানে আউট হওয়া ব্যাটারের জন্য যেমন হতাশার, তেমনি সংখ্যাটি বেশি হলে সেটি হয়ে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত এক রেকর্ড। সম্প্রতি জাপানের বিপক্ষে শূন্য রানে আউট হয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ডাকের রেকর্ড গড়েছেন অভিষেক শর্মা। তবে তাঁর এই রেকর্ড সব ধরনের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মিলিয়ে।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির হিসাব আলাদা। এই সংস্করণে সবচেয়ে বেশি ডাকের তালিকায় রয়েছেন বিভিন্ন দেশের একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার। তালিকার শীর্ষে আছেন শ্রীলঙ্কার দাসুন শানাকা।
২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শুরু করা শানাকা এখন পর্যন্ত ১২৪ ইনিংসে প্রায় ১৩০ স্ট্রাইক রেটে ২ হাজারের বেশি রান করেছেন। তাঁর নামের পাশে রয়েছে ১৬টি ডাক। পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্য দেশ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর চেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড নেই বলে সোর্সে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালিকার পরের অবস্থানে রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১৬০ ইনিংসে প্রায় ২৯০০ রান করেছেন এই ব্যাটার। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৩৫-এর কাছাকাছি। তবে ক্যারিয়ারে ১৪ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশের সৌম্য সরকারও রয়েছেন এই তালিকার শীর্ষ তিনে। ৮৮ ইনিংসে প্রায় ১২২ স্ট্রাইক রেটে ১৪৯৪ রান করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ডাকের সংখ্যা ১৩টি। ফলে শীর্ষস্থানের রেকর্ড থেকে তিনি তিনটি ডাক দূরে রয়েছেন।
চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন চার ক্রিকেটার। আয়ারল্যান্ডের কেভিন ও’ব্রায়েন, আফগানিস্তানের রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, ভারতের রোহিত শর্মা এবং জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজার নামের পাশে রয়েছে ১২টি করে ডাক।
তালিকার পরের অবস্থানেও রয়েছেন একাধিক ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক জস বাটলার এবং জিম্বাবুয়ের রেজিস চাকাভা দুজনেরই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ডাকের সংখ্যা ১১টি।
এই তালিকা থেকে দেখা যায়, শূন্য রানে আউট হওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে একাধিক দেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও ইংল্যান্ডের পরিচিত ব্যাটাররা জায়গা করে নিয়েছেন।



























