ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৃহস্পতিবার স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ দেবেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী Logo ৭১১ কোটি রুপিতে পুরো আবাসিক টাওয়ার কিনলেন দীনেশ ঠক্কর Logo উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা বাড়ানোর সুপারিশ Logo ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির শঙ্কা Logo কাজিপুরে আফজাল হোসেন স্মৃতি আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত Logo গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল গাজীপুর Logo উত্তরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা Logo ইউপি নির্বাচনের নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত, হুমকি দিলে শাস্তি Logo আসিয়ান কাপের প্রতিপক্ষ নিয়ে হামজা বললেন, ‘কাউকে ভয় পেতে আসিনি’ Logo নার্সিং কর্মীদের পদোন্নতির প্রস্তুতি শুরু, কাগজ জমার শেষ সময় জানাল অধিদপ্তর

পর্যায়ক্রমে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ : মন্ত্রীর ঘোষণা

চিত্রঃ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে যানজট ও পরিবহন শৃঙ্খলা নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের ব্যবহার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত হঠাৎ নয়, বরং ধাপে ধাপে এবং আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান। মন্ত্রী বলেন, নগরীর যানবাহনের শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য ক্রমশ বেড়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, এই যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল শহরের সড়ক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। অনেক ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে এবং যানজট আরও তীব্র হচ্ছে। ফলে ধাপে ধাপে এসব যান নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না। বরং সব পক্ষের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে চায়। তিনি জানান, সবার স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজধানী ঢাকা দেশের কেন্দ্রীয় শহর হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রশাসন, ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বড় অংশ পরিচালিত হয়। তাই ঢাকার যানবাহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকাকে বাঁচাতে হলে এর পরিবহন ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার। তিনি বলেন, শহরের সড়কে শৃঙ্খলা না থাকলে জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হবে। তাই পরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি জানান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা হঠাৎ করে পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ এতে বহু মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে অটোরিকশার প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত এলাকায় এসব যানবাহনের চলাচল সীমিত করা হবে। এতে যানজট কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকার একটি সমন্বিত নীতি নিয়ে কাজ করছে, যেখানে পরিবহন খাতের সকল পক্ষের মতামত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। সড়ক পরিবহন খাতের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি যানজট কমাতে সহায়ক হবে, আবার কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন এতে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবিকা সংকটে পড়তে পারে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন। তাই শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং বিকল্প ব্যবস্থার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। যাতে যারা এই পেশার সঙ্গে জড়িত, তারা অন্য কাজে যুক্ত হতে পারেন। তিনি আরও বলেন, পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে হলে আধুনিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না, বরং বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন করতে হবে। ঢাকা শহরের যানজট দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রতিদিন লাখো মানুষ এই সমস্যার কারণে ভোগান্তির শিকার হন। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এই সমস্যা আরও বাড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ধীরে ধীরে একটি সুশৃঙ্খল নগর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। এজন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত রাতারাতি নেওয়া হবে না। বরং সময় নিয়ে, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো হবে। পরিবহন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি পরিকল্পিতভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে ঢাকার যানজট অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত নীতি এবং কঠোর বাস্তবায়ন। অন্যদিকে, অটোরিকশা চালকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই সিদ্ধান্ত তাদের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তারা বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। কোনো শ্রেণির মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, নগর পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও নিরাপদ করতে হলে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে তা অবশ্যই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ নিয়ে সরকারের এই উদ্যোগ নগর পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এর বাস্তবায়ন কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করবে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহস্পতিবার স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ দেবেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী

পর্যায়ক্রমে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ : মন্ত্রীর ঘোষণা

Update Time : ০১:২৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে যানজট ও পরিবহন শৃঙ্খলা নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের ব্যবহার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত হঠাৎ নয়, বরং ধাপে ধাপে এবং আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান। মন্ত্রী বলেন, নগরীর যানবাহনের শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য ক্রমশ বেড়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, এই যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল শহরের সড়ক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। অনেক ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে এবং যানজট আরও তীব্র হচ্ছে। ফলে ধাপে ধাপে এসব যান নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না। বরং সব পক্ষের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে চায়। তিনি জানান, সবার স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন  মে দিবস ২০২৬: শ্রমিক অধিকার ও ন্যায্য মজুরির আহ্বান

তিনি আরও বলেন, রাজধানী ঢাকা দেশের কেন্দ্রীয় শহর হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রশাসন, ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বড় অংশ পরিচালিত হয়। তাই ঢাকার যানবাহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকাকে বাঁচাতে হলে এর পরিবহন ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার। তিনি বলেন, শহরের সড়কে শৃঙ্খলা না থাকলে জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হবে। তাই পরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি জানান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা হঠাৎ করে পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ এতে বহু মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে অটোরিকশার প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত এলাকায় এসব যানবাহনের চলাচল সীমিত করা হবে। এতে যানজট কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকার একটি সমন্বিত নীতি নিয়ে কাজ করছে, যেখানে পরিবহন খাতের সকল পক্ষের মতামত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। সড়ক পরিবহন খাতের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি যানজট কমাতে সহায়ক হবে, আবার কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন এতে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবিকা সংকটে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন  আজ ৮ ঘণ্টা তাহিরপুরে বিদ্যুৎ থাকবে না

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন। তাই শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং বিকল্প ব্যবস্থার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। যাতে যারা এই পেশার সঙ্গে জড়িত, তারা অন্য কাজে যুক্ত হতে পারেন। তিনি আরও বলেন, পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে হলে আধুনিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না, বরং বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন করতে হবে। ঢাকা শহরের যানজট দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রতিদিন লাখো মানুষ এই সমস্যার কারণে ভোগান্তির শিকার হন। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এই সমস্যা আরও বাড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ধীরে ধীরে একটি সুশৃঙ্খল নগর পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। এজন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত রাতারাতি নেওয়া হবে না। বরং সময় নিয়ে, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো হবে। পরিবহন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি পরিকল্পিতভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে ঢাকার যানজট অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত নীতি এবং কঠোর বাস্তবায়ন। অন্যদিকে, অটোরিকশা চালকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই সিদ্ধান্ত তাদের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তারা বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  'মার্চ টু ঢাকা' কেন একদিন এগিয়ে আনা হয়েছিল কর্মসূচি?

মন্ত্রী বলেন, সরকার এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। কোনো শ্রেণির মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, নগর পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও নিরাপদ করতে হলে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে তা অবশ্যই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ নিয়ে সরকারের এই উদ্যোগ নগর পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এর বাস্তবায়ন কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করবে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ওপর।