ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে শুরু ২৪ মে’র ট্রেনের টিকিট বিক্রি

চিত্রঃ ঈদ উপলক্ষে ধাপে ধাপে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করছে রেলওয়ে

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শুরু হয়েছে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে আগামী ২৪ মে’র যাত্রার টিকিট। সকাল থেকেই টিকিট সংগ্রহে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে সকাল ৮টা থেকে। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে পাঁচ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।

এর আগে বুধবার বিক্রি হয়েছে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। যাত্রীরা অনলাইনের পাশাপাশি নির্ধারিত ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করছেন। টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেও যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা যায়। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে বিক্রি হবে ২৫ মে’র যাত্রার টিকিট। এরপর ১৬ মে বিক্রি হবে ২৬ মে’র এবং ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে’র ট্রেনের অগ্রিম টিকিট। ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে দূরপাল্লার আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে টিকিটের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করছেন যাত্রীরা।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সামাল দিতে বিশেষ নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। টিকিট কালোবাজারি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। এদিকে টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেকে অনলাইনে ধীরগতির সমস্যার কথাও জানিয়েছেন। তবে রেলওয়ে বলছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে সার্ভার সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে ট্রেন চলাচলের সময়সূচি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত জনসমাগম নিয়ন্ত্রণেও নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি।

প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো মানুষ ট্রেনে করে বাড়ি ফিরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে টিকিট বিক্রির প্রতিটি দিনেই যাত্রীদের মধ্যে বাড়তি চাপ থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি চাকরিজীবীরা প্রথমবার যে ভাতা পাবেন

ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে শুরু ২৪ মে’র ট্রেনের টিকিট বিক্রি

Update Time : ১১:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শুরু হয়েছে ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে আগামী ২৪ মে’র যাত্রার টিকিট। সকাল থেকেই টিকিট সংগ্রহে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে সকাল ৮টা থেকে। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে পাঁচ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।

এর আগে বুধবার বিক্রি হয়েছে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। যাত্রীরা অনলাইনের পাশাপাশি নির্ধারিত ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করছেন। টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেও যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা যায়। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে বিক্রি হবে ২৫ মে’র যাত্রার টিকিট। এরপর ১৬ মে বিক্রি হবে ২৬ মে’র এবং ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে’র ট্রেনের অগ্রিম টিকিট। ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে দূরপাল্লার আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে টিকিটের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করছেন যাত্রীরা।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সামাল দিতে বিশেষ নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। টিকিট কালোবাজারি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। এদিকে টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেকে অনলাইনে ধীরগতির সমস্যার কথাও জানিয়েছেন। তবে রেলওয়ে বলছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে সার্ভার সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে ট্রেন চলাচলের সময়সূচি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত জনসমাগম নিয়ন্ত্রণেও নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি।

প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো মানুষ ট্রেনে করে বাড়ি ফিরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে টিকিট বিক্রির প্রতিটি দিনেই যাত্রীদের মধ্যে বাড়তি চাপ থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।